আন্তর্জাতিক ৫ নভেম্বর, ২০২০ ০৪:২৩

গ্রামের বাড়িতে মিষ্টি বিতরণ

আবারো মার্কিন সিনেটর হলেন কিশোরগঞ্জের মুজাহিদুর

ডেস্ক রিপোর্ট

দ্বিতীয় বারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের সিনেটর নির্বাচিত হয়েছেন  কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার শেখ মুজাহিদুর রহমান চন্দন। এতে তার গ্রামের বাড়িতে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে এলাকাবাসী।

বুধবার সন্ধ্যায় আনন্দ মিছিল বের করে এলাকার মানুষ। মিছিলটি সরারচর বাজার ও আশপাশের সড়ক ঘুরে শেখ মুজাহিদুর রহমান চন্দনের বাড়িতে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে একে অপরকে মিষ্টি খাইয়ে আনন্দ প্রকাশ করে এলাকাবাসী। সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ জেলা সদরে আখড়াবাজার সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বরে মুক্তমঞ্চে আনন্দ উৎসব ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এ সময় শেখ মুজাহিদুর রহমান চন্দন আবারও সিনেটর নির্বাচিত হওয়ায় তাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান, তারা।

এ দিকে ছেলে আমেরিকার সিনেটর নির্বাচিত হওয়ায় খুশিতে আত্মহারা চন্দনের শতবর্ষী রত্নগর্ভা মা সৈয়দা হাজেরা খাতুন। তার ছেলে আমেরিকার পাশাপাশি বাংলাদেশের কল্যাণে কাজ করবে বলেও জানান তিনি। আশা করেন, একদিন তার ছেলে আমেরিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুখ উজ্জ্বল করবে।

আশির দশকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। এরপর তিনি নর্থ ক্যারোলিনায় ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়া থেকে এমবিএ করেন। শেখ মুজাহিদুর রহমান চন্দন গত বছর ডেমোক্রেটিক পার্টির সম্মেলনে জাতীয় কমিটিতে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে কার্যকরী সদস্য নির্বাচিত হন। গত মেয়াদে তিনি জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য থেকে সিনেটর নির্বাচিত হন। এর আগে ২০১২ সালে তিনি জর্জিয়া রাজ্যের সাধারণ প্রতিনিধি পরিষদের প্রতিনিধি প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আলোচনায় আসেন তিনি।

প্রায় ৩৯ বছর পর প্রথম বারের মতো গত বছরে মায়ের ৯০ তম জন্মদিনে গ্রামের বাড়িতে আসে। এ সময় তার  বড় বোন তাহেরা হক, ছোট ভাই বিশিষ্ট ব্যবসায় শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, ছোট বোন মুক্তিযোদ্ধা ডা. তাহমিনা আক্তার সামিয়া, ছোট বোন আমেরিকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নাদিরা রহমান ও নাহিদা আক্তার, ভাগনিজামাই মার্কিন নাগরিক ওয়েস্টিন সাসম্যান, ভাগনি মিশাসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্ত্রী, এক কন্যা ও এক ছেলের বাবা শেখ মুজাহিদুর রহমান চন্দন আটলান্টায় বসবাস করেন। বাবার চাকরির সুবাদে তার ছোটবেলা কাটে ঢাকায়। বাবা শেখ নজিবর রহমান ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও আগরতলা জয়বাংলা যুব শিবিরের সুপারভাইজার।