জাতীয় ১২ অক্টোবর, ২০২০ ০৯:২৫

অস্ত্র মামলায় ২০ বছরের সাজা পাপিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক

নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়া ও তাঁর স্বামীকে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় সর্বোচ্চ ২০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার (১২ অক্টোবর) ঢাকা মহানগরের ১ নম্বর স্পেশাল ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম ইমরুল কায়েশ এই রায় দেন।

অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯-এর ‘এ’ ধারায় দুজনকে ২০ বছর করে এবং ১৯-এর ‘এফ’ ধারায় দুজনকে ৭ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দুটি ধারার সাজা কার্যকর হবে একত্রে।

রায়ে আদালত বলেন, আসামিরা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাঁদের সজ্জন রাজনৈতিক নেতা বলা যায় না। তাঁদের ভাড়া করা ফ্ল্যাটে ৫৮ লাখ টাকা পাওয়া যায়। আরও পাওয়া যায় বিদেশি পিস্তল।

রায় ঘোষণা উপলক্ষে পাপিয়া ও তাঁর স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরীকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৭ সেপ্টেম্বর এই মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১২ অক্টোবর তারিখ ধার্য করেছিলেন আদালত। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড চাওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, পাপিয়া ও তাঁর স্বামী মফিজুরকে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে পাপিয়ার বুকিং দেওয়া বিলাসবহুল প্রেসিডেনশিয়াল স্যুট রুম ও ইন্দিরা রোডের ফ্ল্যাট থেকে বিদেশি একটি পিস্তল,২টি ম্যাগাজিন, পিস্তলের ২০টি গুলি, ৫ বোতল দামি বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা,৫টি পাসপোর্ট,৩টি চেক, কিছু বিদেশি মুদ্রা, এটিএম কার্ড প্রভৃতি উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, পাপিয়া ও তাঁর স্বামীর মালিকানায় ইন্দিরা রোডে দুটি ফ্ল্যাট, নরসিংদীতে দুটি ফ্ল্যাট, ২ কোটি টাকা দামের দুটি প্লট, তেজগাঁওয়ে এফডিসি ফটকের কাছে গাড়ির শোরুমে ১ কোটি টাকার বিনিয়োগ, নরসিংদী জেলায় কেএমসি কার ওয়াশ অ্যান্ড অটো সলিউশন নামের প্রতিষ্ঠানে ৪০ লাখ টাকা বিনিয়োগ আছে।