রিপোর্ট ডেস্ক
ঘরোয়াভাবে হেঁচকি থামানোর প্রচেষ্টার ক্ষেত্রে রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। যেন শ্বাসনালীতে খিঁচুনি বন্ধ হয়। আরেকটি হলো শ্বাস-প্রশ্বাস ও গলাধকরণের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা ‘ভ্যাগাস’ স্নায়ুকে উদ্দীপ্ত করা।
বিচলিত না হয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে হেঁচকি বন্ধ করতে পারবেন নিচের কৌশলে :
- কাগজের ব্যাগে নিঃশ্বাস ফেলা (ব্যাগ মাথা দিয়ে ঢুকাবেন না।
- দুই হাঁটু বুক পর্যন্ত টেনে ধরে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়া।
- বরফ ঠাণ্ডা পানি খাওয়া।
- কিছু দানাদার চিনি খাওয়া।
- লেবুতে কামড় দেওয়া বা একটু ভিনেগারের স্বাদ নেওয়া।
- স্বল্প সময়ের জন্য দম বন্ধ করে রাখা।
কখন চিকিৎসার পরামর্শ নিতে হবে
হেঁচকি সাধারণত আপনা থেকেই ভালো হয়ে যায়। তবে যদি অতি দীর্ঘসময় ধরে হেঁচকি উঠতে থাকে তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
চিকিৎসকরা বলেন, হেঁচকি নিরাময়ে ঘরোয়া চিকিৎসা যদি কাজ না করে সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। হেঁচকির তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তারা। এছাড়া নিয়মিত হেঁচকিতে দৈনন্দিন জীবনের কার্যক্রম ব্যাহত হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার উপদেশ দেন বিশেষজ্ঞরা।






















