আমাদের কাগজ ডেস্কঃ নানা কারণে আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম বিভিন্ন ভাবে আলোচিত হয়ে আসছেন বিগত দিন গুলো থেকে। বিভিন্ন সময়ে নানা বিষয়ে সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। সম্প্রতি বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন তিনি। নির্বাচনে হেরে গিয়েও রয়েছেন আলোচনার কেন্দুবিন্দুতে।
ইতোমধ্যেই জানিয়েছেন, আগামীতেও সংসদ নির্বাচন করতে চান তিনি।
উপনির্বাচনে হিরো আলমের অংশ নেওয়া নিয়ে বাক্য বিনিমিয় চলেছে দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের মধ্যেও। এতে যোগ দিয়েছেন হিরো আলম নিজেও।
গতকাল শুক্রবার রাতে হিরো আলম মুখোমুখি হন জার্মানিভিত্তিক গণমাধ্যম ‘ডয়চে ভেলে’র বাংলা বিভাগের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত এক টকশোতে। ‘ডয়চে ভেলে খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়’ শীর্ষক অনুষ্ঠানটির রাতে প্রচারিত পর্বের বিষয় ছিল ‘রাজনীতির সংস্কৃতি ও হিরো আলম’। সেখানে হিরো আলম ভবিষ্যতে নিজেই নতুন দল গঠন করতে চান বলে ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সেই সঙ্গে রাজনীতিতে কিছু পরিবর্তন আনতে চান বলেও ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।
কোনো জোটে বা রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, আমি সব সময় জনসেবা করা পছন্দ করি। সেই উদ্দেশ্য থেকেই রাজনীতি করা। ভোটের আগে বা পরে বড় কোনো রাজনৈতিক দল এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের যোগাযোগ করেনি। কোনো দলে যোগ দিব কি না, এখন পর্যন্ত ঠিক করিনি।
নিজের কোনো নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করবেন কি না? জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, সবারই স্বপ্ন থাকে দল গঠন করার। আমারও নতুন দল গঠন করার ইচ্ছা আছে। আমি দল গঠন করলে নতুন কিছু নিয়ে আসব। কোনো হিংসা থাকবে না, বিবাদ থাকবে না, সুষ্ঠ ভোট হবে। যার যাকে ভালো লাগবে, তাকে ভোট দিবেন। সমাজের জন্য কাজ করবো।
আমি সৎ পথে চলি, মানুষের পাশে দাড়াই, সহযোগিতা করি। মানুষ এখন ক্যাডার চায় না, সুখেদুঃখে মানুষের পাশে থাকবেন, এমন মানুষ চায়।
খালেদ মুহিউদ্দীন হিরো আলমের কাছে জানতে চান, নির্বাচনী হলফনামায় মাসিক আয় ২১ হাজার টাকা উল্লেখ করেছেন। তাহলে কোটি টাকার বাড়ি করছেন কীভাবে? জবাবে হিরো আলম বলেন, কোটি নয়, ৫০ লাখ টাকা হবে। সেই টাকা খরচ হচ্ছে বগুড়ার কেব্ল ব্যবসার আয়ের টাকায়।
এদিন ‘ডয়চে ভেলে’র টকশোতে হিরো আলমসহ উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার নিঝুম ও সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন।
আমাদের কাগজ/এমটি






















