ঢাকাই সিনেমার রানী শাবনূরের জন্মদিন আজ
ছবিঃ ইন্টারনেট
আমাদের কাগজ ডেস্কঃ ঢালিউড সিনেমাপ্রেমীদের দুই নয়নে আলোর ঝিলিক দেখা মিলে যায় নাম শুনলে। একটা সময় তার নামেই সিনেমা হল ভরে যেত দর্শকে। অভিনয়ের দক্ষতা দিয়ে মন কেড়েছে লাখো মানুষের। তাকে ডাকা হত ঢাকাই সিনেমার রানী বলে। তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন নব্বই পরবর্তী বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সফল নায়িকা শাবনূর।
১৯৯৩ সালে প্রয়াত পরিচালক এহতেশাম পরিচালিত ‘চাঁদনী রাতে’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয় জগতে পা রাখেন শাবনূর। ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর সিনেমাটি মুক্তি পেলেও সফলতার মুখ দেখেনি ছবিটি।
তবে সিনেমা এসে একবারেই সফলতা পাননি তিনি। জনপ্রিয় নায়ক সালমানশাহ্র সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘তুমি আমার’ সিনেমা দিয়ে পর্দায় হাজির হন ‘আনন্দ অশ্রু’ খ্যাত অভিনেত্রী। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি অভিনেত্রীকে। এরপর আর ঘুরে তাকাতে হয়নি তাকে। একের পর এক সিনেমা উপহার দিয়েছেন সিনেমাপ্রেমীদের জন্য। জুটি বেঁধে ১৪ টি সিনেমায় অভিনয় করেন শাবনূর।
অনেক দিন হলো অভিনয় থেকে দূরে সরে আছেন শাবনূর। তবে তার জনপ্রিয়তায় একটুও ভাটা পড়েনি এখনও। হঠাৎ কোথাও কোনো অনুষ্ঠানে হাজির হলে তাকে দেখতে ঢল নামে মানুষের। নতুন ছবিতে তাকে দেখার জন্য অপেক্ষায় তার ভক্তরা।
২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী অনিক মাহমুদকে বিয়ে করে স্বামীর সঙ্গে সেখানেই থাকেন এই নায়িকা। তার ভক্তরা জেনে গেছেন খুশির খবর। আবারও সিনেমায় ফিরতে যাচ্ছেন তিনি। বর্তমানে ঢাকাতেই অবস্থান করছেন। নিয়মিত জিম করে নিজেকে তৈরি করছেন সিনেমার জন্য। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে সেই আভাসও দিয়ে গেছেন শাবনূর।
তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রই আমাকে আজকের শাবনূর বানিয়েছে। আমার যতো সুনাম সব দিয়েছে চলচ্চিত্র। এখনো সিনেমা ও সিনেমার মানুষ আমার কাছে সবচেয়ে আপনজন। আর এই সিনেমার হাত ধরে মানুষের যে ভালোবাসা আমি পেয়েছি সেটাই আমার জীবনের সেরা উপহার। সবার কাছে দোয়া চাই যেন ছেলেকে নিয়ে ভালো থাকতে পারি। সবার জন্য আমিও অনেক দোয়া করি।’
জানা গেছে, পারিবারিক আয়োজনে ঘরুয়াভাবেই কাটবে শাবনূরের জন্মদিন। একান্তই কাছের কিছু মানুষের সঙ্গে দেখা হতে পারে। গল্প-আড্ডা আর স্মৃতিচারণে মুখর হবেন তাদের সঙ্গে।
প্রসঙ্গত, শাবনূর ২০১১ সাল থেকে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। ২০১২ সালে ২৮ ডিসেম্বর তিনি বিয়ে করেন। পরে ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি প্রবাসী অনীক মাহমুদের সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয় অভিনেত্রীর। আইজান নামে একটি পুত্র সন্তান আছে।
আমাদের কাগজ/এম টি