বিনোদন ৫ ডিসেম্বর, ২০২২ ০৯:৪১

মাত্র ২১ বছরের মারা গেলো যে টিকটক তারকা

ছবি:ইন্টারনেট

ছবি:ইন্টারনেট

বিনোদন ডেস্ক: নেটদুনিয়ায় টিকটক অ্যাপ এখন বেশ জনপ্রিয়। রাতারাতি তারকাখ্যাতি পেতে এ মাধ্যমে তরুণ-তরুণীরাই বেশি ভিডিও তৈরি করে থাকে। এ মাধ্যমেই ভিডিও তৈরি করে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল ভারতীয় বংশোদ্ভূত টিকটক তারকা মেঘা ঠাকুর। ২১ বছর বয়সেই নিভে গেল তার জীবনপ্রদীপ।

কলেজপড়ুয়া অবস্থাতেই টিকটক ভিডিও তৈরি করতে শুরু করেন মেঘা। এরপর নেটিজেনদের কাছে বেশ জনপ্রিয়ও হয়ে ওঠেন। হঠাৎ এ জনপ্রিয়তাকে পেছনে দূরে ঠেলে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়েন মেঘা।

ইনস্টাগ্রামে যৌথ বিবৃতিতে মেঘার বাবা-মা লেখেন, খুব দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের জীবনের আলো, আমাদের ফুটফুটে মেয়ে মেঘা ঠাকুর (২৪ নভেম্বর) সকালে আচমকা এবং অপ্রত্যাশিতভাবে মারা গেছেন। সবাই তার আত্মার শান্তিকামনা করবেন।’

ঠিক কী কারণে হঠাৎ মেঘার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি মেঘার পরিবার। মৃত্যুর ১০ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পর এবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ হয়েছেন তারা।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা এবং এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যায়, নেটদুনিয়ায় ইনফ্লুয়েঞ্জার ছিল মেঘা। ২৪ নভেম্বর তার মৃত্যু হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে মেঘার মৃত্যু সংবাদ দিয়ে একটি চিঠি দিয়েছেন। লিখেছেন, ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি, আমাদের জীবনের আলো, আমাদের ফুটফুটে মেয়েটি, মেঘা ঠাকুর গত ২৪ নভেম্বর সকালে আচমকা এবং চূড়ান্ত অপ্রত্যাশিতভাবে প্রয়াত হয়েছেন। কিন্তু কীভাবে মেঘার মৃত্যু হলো, তা এখনও স্পষ্ট নয়। 

মেঘার ভক্তদের এক অংশ জানায়, মৃত্যুর ৪ মাস আগে বেশ উদ্বেগে ছিলেন এই টিকটকার। নিজেই এ কথা জানিয়েছিলেন তার ভক্তদের। এ কারণে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। চিকিৎসার পর সুস্থও হয়ে উঠেছিলেন। তবে হঠাৎই কেন জীবনের সব আয়োজনকে বিদায় জানিয়ে এত অল্প বয়সে ওপারে পাড়ি জমালেন তা এখনও রহস্যই রয়ে গেছে।  

২০০১ সালে মধ্যপ্রদেশের ইনদওরে জন্ম মেঘার। মাত্র এক বছর বয়সে বাবা-মায়ের সঙ্গে কানাডায় পাড়ি জমান মেঘা। এরপর থেকে সেখানেই থাকতেন তিনি। কানাডার হাওয়ায় বেড়ে উঠেছেন ভারতীয় কন্যা। ২০১৯ সালে কানাডার মেফিল্ড সেকেন্ডারি স্কুল থেকে স্নাতক পাস করেন মেঘা। উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন কানাডার ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে। তার পরেই টিকটকে ভিডিও বানাতে শুরু করেছিলেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করতেন মেঘা। টুইটারে তার ফলোয়ার সংখ্যা ৯৩ হাজারের বেশি। ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার সংখ্যা এক লক্ষাধিক। আর টিকটকে ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার। লাখ লাখ মানুষ মেঘার ভিডিও দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকতেন।সামাজিকমাধ্যমে জীবনের কথা বলতেন মেঘা। তার ভিডিওতে বলা কথাগুলো শুনে জীবনে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন অনেকে।

 
আমাদের কাগজ//টিএ