আবহাওয়া ৪ জানুয়ারি, ২০২৩ ১২:৩৮

শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে, সূর্যের দেখা নেই

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

আমাদের কাগজ ডেস্কঃ শীত মৌসুম বিদায়ের আগে আরেক দফা হাড় কাঁপানো শৈত্যপ্রবাহের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। রাজধানীসহ সারাদেশে জেঁকে বসেছে শীত। পৌষের হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় কাবু সব বয়সের মানুষ। মৃদু শৈত্য প্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন। ঘড়ির কাঁটায় সকাল সাড়ে ১২ টা অতিক্রম করলেও মেলেনি সূর্যের দেখা। এদিকে তাপমাত্রা আরও কমবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ঢাকায় হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। এটা আরও কমবে। তাপমাত্রা কমার কারণ হলো; রাতের তুলনায় হঠাৎই দিনের তাপমাত্রা কম, ব্যাপক কুয়াশা এবং সূর্যের দেখা না পাওয়া। এসব কারণে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান বেশ কমেছে।

আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে শ্রীমঙ্গলে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস; ঢাকার সর্বনিম্ন ১৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে শ্রীমঙ্গলে ৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হচ্ছে টেকনাফে ২৯.৪ ডিগ্রি।

মঙ্গলবার পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, নওগাঁয় ১০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিনাজপুরের তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠানামা করছে; সঙ্গে বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। এ ছাড়াও চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

প্রসঙ্গত, দিনের বেশিরভাগ সময়ই কুয়াশায় ঢাকা চারপাশ। নাজুক অবস্থা খেটে খাওয়া মানুষের। এমন পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

হিম হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির ফোটার মতো ঝরছে কুয়াশা। হাড় কাঁপানো শীত গ্রাস করেছে জনপদ।

এছাড়া দেশের প্রায় প্রত্যেকটি জেলাতেই শীত জেঁকে বসেছে। তবে সামনের দিনে শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে। হাড় কাঁপানো শীত আসার বার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। থাকবে তিনটি শৈত্যপ্রবাহ।  

আমাদের কাগজ/এম টি