আইন ও আদালত ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ০৯:৩৮

তৃতীয়বারের মতো 

বাড়ানো হলো এডিসি হারুনকাণ্ডে তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময় 

আমাদের কাগজ ডেস্ক : রাজধানীর শাহবাগ থানায় আটকে রেখে ছাত্রলীগ নেতাদের বেধড়ক মারের ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় আরও তিন কার্যদিবস বাড়িয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সবশেষ তৃতীয়বারের মতো বাড়ানো হলো এই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমার সময়। এর আগে এই সাময়িক বরখাস্ত করা হয় অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হারুনকে। 

গতকাল (রোববার) রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) কে এন রায় নিয়তি সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, তদন্ত কমিটির আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রতিবেদন জমা দিতে আবারও তিন কার্যদিবস সময় বাড়ানো হয়েছে। এর আগে, ছাত্রলীগ নেতাদের মারধরের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদের দায় পেয়েছে বলে জানায়। একই সঙ্গে এ ঘটনার নেপথ্যে পুলিশের এডিসি সানজিদা আফরিন, তার স্বামী রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আজিজুল হক মামুন এবং ঘটনায় জড়িত ছাত্রলীগ নেতাদেরও দায় পাওয়া গেছে বলে জানায়।

এ ঘটনায় প্রথমে নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ করতে না পারায় বাড়তি পাঁচ দিনের সময় চেয়ে আবেদন করে কমিটি। এর ভিত্তিতে ডিএমপি কমিশনার আরও পাঁচ দিন সময় দেন। বর্ধিত সময়ের শেষ দিন ছিল সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর)। এরমধ্যেই তদন্তকাজ শেষ করার কথা জানা 
গেলেও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন দিতে মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আরও সাত দিনের সময় চেয়ে আবেদন করে কমিটি। ওই সময় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে দ্বিতীয়বার তিন কার্যদিবস সময়সীমা বাড়ানো হয়। 

রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ থাকলেও আবারও তদন্ত কমিটির আবেদনের প্রেক্ষিতে তৃতীয় দিনের মতো তিন কার্যদিবস সময় বাড়ানো হলো।

উল্লেখ্য, গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে বারডেম হাসপাতাল থেকে তুলে নিয়ে শাহবাগ থানায় আটকে ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নেতাকে ব্যাপক মারধর করা হয়। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পুলিশের রমনা বিভাগের এডিসি হারুন অর রশিদ মারধরের নেতৃত্ব দেন। পরে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ ঘটনায় শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) গোলাম মোস্তফাকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। 

এই ঘটনায় সাধারণ জনগণ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। 


আমাদেরকাগজ/এমটি