নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে মামলায় আগামী ২ আগস্ট রায় ঘোষণা করবে আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার মামলাটির যুক্তিতর্কে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. আছাদুজ্জামান রায়ের এ তারিখ ঠিক করেন।
আজ দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মোশারফ হোসেন কাজল যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। তিনি যুক্তিতর্কে উভয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতিতভাবে প্রমাণিত হয়েছে মর্মে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
মামলার উভয় আসামি পলাতক থাকায় তাদের পক্ষে যুক্তিতর্কসহ কোনো কার্যক্রমেই আসামি পক্ষ কোনো বক্তব্য দিতে পারেন নাই।
মামলাটিতে ৫৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করলেন আদালত। গত ১৩ এপ্রিল তারেক রহমান ও ডা. জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত।
মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২)/২৭(১) এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারার অভিযোগ আনা হয়েছে। যেখানে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২৬(২) ধারায় সর্বোচ্চ ৩ বছর এবং ২৭(১) ধারায় সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের শাস্তি রয়েছে। সহযোগী হিসেবে ডা. জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। সেক্ষেত্রে সহযোগী হিসেবে একই পরিমাণ অর্থাৎ ১৩ বছরের সাজা হতে পারে জোবায়দা রহমানের।
দুদক কৌঁসুলি মোশাররফ হোসেন কাজল সাংবাদিকদের বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি। আশা করছি আইন অনুযায়ী আসামিদের সর্বোচ্চ ১৩ বছর সাজাই হবে।
এর আগে গত ১ নভেম্বর একই আদালত তারেক রহমান ও জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর গত ১৯ জানুয়ারি তাদের হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আমাদেরকাগজ/এইচএম






















