আমাদের কাগজ ডেস্কঃ একে তীব্র গরম। ভাদ্রের চড়া রোদ তার উপরে দিনভর ভ্যাপসা গরমে অস্বস্তি। তবে পবিত্র রমজান মাসে রোজা রাখাটা বেশ চ্যালেঞ্জের। একটানা রোজা রাখার কারণে অনেকের শরীরেই সৃষ্টি হয় পানিশূন্যতার। আর প্রচণ্ড গরমে ও তীব্র রোদে বাইরে বের হওয়ার কারণে হঠাৎ হতে পারে হিট স্ট্রোক। তাই এই গরমের সবার উচিত একটু বাড়তি সতর্ক থাকা।
একে তো প্রচণ্ড গরম, তার উপর আবার রমজান মাস। এ সময় শরীরকে গরম থেকে রক্ষা করার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুত করা উচিত। আর এই কাজে শসা কার্যকর। হ্যাঁ, গ্রীষ্মকালে খালি পেটে শসা খেলে ডিহাইড্রেশন ও সান স্ট্রোক থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। সাধারণত সকালে খালি পেটে শসার রস খেলে এই উপকার মেলে। তবে রোজার এই সময় ইফতারের শুরুতে খালি পেটে পান করতে পারেন শসার রস।
হিট স্ট্রোক এড়ানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখা। এ সময় যদি কোনো অবস্থাতেও আপনার শরীরে পানির ঘাটতি হয় তাহলে যে কোনো সময় হিট স্ট্রোক ও ডিহাইড্রেশনের মারাত্মক সমস্যা হতে পারে।
একটি শসার ৯০ শতাংশই হলো পানি। তাই শসার রস পান করলে হিট স্ট্রোক ও ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি সহজেই কমাতে পারবেন।
গরমে হিট স্ট্রোক ও পানিশূন্যতা রোধে ইফতারে যা খাবেন
খালি পেটে শসা খাওয়ার উপকারিতা-
সকালে খালি পেটে শসা খাওয়ার সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো শরীরে পানির পরিমাণ বেড়ে যাওয়া।
এর মাধ্যমে আপনি ডিহাইড্রেশন এড়াতে পারেন। এটি সারাদিন আপনার শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে।
শসা পেট ঠান্ডা রাখে
পেট ঠান্ডা রাখতে শসা খাওয়া খুবই উপকারী। ফলে সারাদিন আপনার পরিপাকতন্ত্রের সঙ্গে শরীরে শীতলতা বজায় থাকে, যাতে গরমে বমি বমি ভাব, গ্যাস ও বদহজম এড়াতে পারেন।
শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখে
গরমে প্রতিদিন ১-২টি শসা খাওয়া উচিত। এটি শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
ফলে শরীরের তাপমাত্রা কমে ও হিট স্ট্রোক থেকে রক্ষা মেলে। তাই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে শসা খাওয়া শুরু করুন।
সূত্র: প্রেসওয়্যার ১৮
আমাদের কাগজ/এমটি






















