লাইফ স্টাইল ১৫ ডিসেম্বর, ২০২২ ০১:০৫

শিশুদের ঠান্ডা-সর্দি থেকে দূরে রাখবেন যেভাবে  

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

আমাদের কাগজ ডেস্কঃ বদলেছে মৌসুম। ওঠা নামা করছে তাপমাত্রাও।শীতের সময় বড়দের পাশাপাশি শিশুদেরও ঠান্ডা-সর্দি বেড়ে যায়। তবে বড়দের তুলনায় শিশুদের এ সময়টাতে বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যায়। তাই শীতের সময় শিশুদের জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে শিশুদের ঠান্ডাজনীত সমস্যা দ্রুত কমে যাবে। 

 

সামাল দিতে যা যা করণীয়

কালোজিরাকে তো রোগের মহা ওষুধ বলা হয়। মধু ও কালোজিরার গুঁড়া ঠান্ডায় চমৎকার কাজ করে। 
শিশুকে ২-৩ চা চামচ চিনি দিয়ে আদা বা মসলা চা দুই বেলা খাওয়াতে পারবেন। শিশুর বয়স দেড় বছর হয়ে গেলে তাকে মসলা চা দেওয়া যাবে।

দুধ ও হলুদ : দুধ যে কোনো বয়সের জন্যই সমান উপকারী। এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে ১ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। হলুদে অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে, যা সহজেই সংক্রমণ রোধ করে। ফলে সর্দি-কাশির কষ্ট থেকেও রেহাই পাওয়া সম্ভব হয়।

মধু ও তুলসী পাতার রস ঠান্ডা ও কাশির জন্য খুব উপকারী। শিশুদের কাশি দূর করতে মধু ও তুলসী পাতার রস বেশ কার্যকর।

লেবু ও মধু : লেবু ও মধুর মিশ্রণটিও আদা চায়ের মতোই অত্যন্ত উপকারী। এক গ্লাস গরম পানিতে দুই চা চামচ মধু ও এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে সর্দি-কাশি দূর হবে।

বুকে জমে থাকা সর্দি দূর করতে রোদ ওঠার পর কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করাবেন শিশুকে। অনেকের মধ্যে একটা ভুল ধারণা রয়েছে যে শিশুকে গোসল করালে ঠান্ডা বাড়ে। আসলে গোসল করালে নাক দিয়ে সর্দি বের হয়ে যায়। তাই অনেকেই ভাবেন সর্দি বেড়ে গেছে।

শিশুকে কুসুম গরম পানি খাওয়াতে পারেন কিছুক্ষণ পরপর। এ ছাড়াও চিকেন স্যুপ, ভেজিটেবল স্যুপ, কর্ন স্যুপও খাওয়াতে পারেন। কুসুম গরম খাবার শিশুর ঠান্ডার সময় আরাম দেবে।

রসুন : এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট রয়েছে, যা সর্দি-কাশির মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়া, অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিফাংগাল উপাদান রয়েছে, যা সংক্রমণ রুখতে পারে। চাইলে চার-পাঁচ কোয়া রসুন ঘিয়ে নেড়ে নিয়ে গরম থাকতে থাকতে খেয়ে নিন। ঘিয়ে ভাজা রসুন সুপের সঙ্গে মিশিয়ে খেলেও আরাম পাবেন।

এ ছাড়াও নাকের ড্রপ ও সাসপেনশন বা ওরাল মেডিকেশন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শে চালিয়ে যেতে হবে ঠিকঠাক। (সূত্র,আরটিভি অনলাইন)

আমাদের কাগজ/এম টি