আমাদেরকাগজ ডেস্ক: পৃথিবীতে বহু মানুষ চাইলেও সন্তানধারণ করতে পারেন না। সন্তান উৎপাদনে অক্ষম বলে অনেকে অবসাদে ভোগেন। এর একটি অন্যতম প্রধান কারণ পুরুষদের শুক্রাণুর সমস্যা। বর্তমানে নারীদের পাশাপাশি পুরুষের বন্ধ্যাত্বের সমস্যা আগের চেয়ে অনেকাংশে বেড়েছে।স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় নিয়ম না মানাসহ বিভিন্ন কারণে এ সমস্যা বাড়ছে। যেমন- মদপান, ধূমপান, অতিরিক্ত ওজন, ব্যায়াম ও হাঁটাচলা না করা, খাবারে ভেজাল, বয়স ৪০ পেরিয়ে গেলে, আঁটসাঁট আন্ডারওয়ার পরলে।
বিগত ৪০ বছরে বিশ্বে পুরুষদের শুক্রাণুর পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে গড়ে ৫৯ শতাংশ। ঠিক কী কারণে এমনটা ঘটছে, তা নিয়ে নিশ্চিত নন বিজ্ঞানীরা। চলুন জেনে নিই যেসব কারণে পুরুষের বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়—
শুক্রাণুর সংক্রমণ
শুক্রাণুতে কোনো সংক্রমণ হলে এর নড়াচড়ার ক্ষমতা লোপ পায়। ফলে বন্ধ্যাত্ব অবধারিত। বিভিন্ন ওষুধের মাধ্যমে শুক্রাণুর সংক্রমণ সারানো যায়। আবার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেয়ে শুক্রাণুর পরিমাণও বাড়ানো যায়। তবে শুক্রথলি বা টেস্টিসের কার্যকারিতা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেলে চিকিৎসা করা মুশকিল। একজন পুরুষের ন্যূনতম ২ কোটি শুক্রাণু না থাকলে সন্তান উৎপাদনে সমস্যা হতে পারে।
পুরুষের বন্ধ্যাত্বের জন্য কর্মজীবনও বেশ দায়ী। অফিস থেকে শুরু করে পরিবারের নানা কাজের চাপে থাকেন তারা। মনে টানাপোড়ন নিয়ে দিন কাটান। মানসিক চাপের কারণে দেখা দেয় অনিদ্রার সমস্যা। হরমোন হারায় তার ভারসাম্য। ফলে এর ছাপ পড়ে যৌনজীবনেও। তাই মানসিক অবসাদের কারণে দেখা দিতে পারে বন্ধ্যাত্বও।
বিভিন্ন ওষুধ
বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে ওষুধও। ক্যানসার রোগে ব্যবহৃত ওষুধ, পেশি তৈরি করতে ব্যবহৃত অ্যালকনিক স্টেরয়েড, সাইমেটাকিন নামক অম্বলের ওষুধ, গ্লাইরোকেল্যারুটোন নামক ওষুধ থেকেও এই সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
ক্রোমোজোম ঘটিত রোগ
ক্রোমোজোম ঘটিত রোগ যেমন ক্লাইন, ফিল্টার সিনড্রোম প্রভৃতির জন্য শুক্রাণু কমে যেতে পারে। আর শুক্রাণুর সংখ্যা কমতে থাকলে বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়।
অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ ব্যবহার
অবাক করা তথ্য হচ্ছে মোবাইল ফোন আর ল্যাপটপের কারণেও পুরুষের বন্ধ্যাত্ব হতে পারে। একাধিক গবেষণা অনুযায়ী, অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপের ব্যবহার করলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে কোলের ওপর ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করলে তাপে অণ্ডকোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ক্রোমোজোম ঘটিত রোগ
ক্রোমোজোম ঘটিত রোগ যেমন ক্লাইন, ফিল্টার সিনড্রোম প্রভৃতির জন্য শুক্রাণু কমে যেতে পারে। আর শুক্রাণুর সংখ্যা কমতে থাকলে বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়।
আমাদের কাগজ//টিএ






















