আমাদের কাগজ ডেস্ক: ডিম মানবদেহের জন্য জরুরি একটা খাবার। অনেকেই ডিম অনেক পছন্দ করে। আবার অনেকেই করেনা। তবে সব সমীকরণ বাদ দিয়ে প্রত্যেকটা মানুষকে কিন্ত ডিম খেতেই হয়। কারণ ডিমকে আদর্শ প্রোটিন হিসেবে ডাকা হয়। তাই রোগীর পথ্য হিসেবেও আলাদা কদর রয়েছে ডিমের। তবে ডিমটি যদি উৎকৃষ্ট মানের না হয়, তাহলে ডিম খাবার পরও এর পুষ্টিগুণ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন আপনি। তাই ডিম খাওয়ার আগে জেনে নেওয়া উচিত, অধিক পুষ্টিগুণসম্পন্ন ডিম কোনটি।
গবেষণা বলছে, কুসুমের রং দেখেই আপনি জেনে নিতে পারবেন অধিক পুষ্টি রয়েছে কোন ডিমে।
গবেষকরা জানিয়েছে, সাধারণত যে ডিমের কুসুমের রং কমলা রঙের এবং কুসুমটি যথেষ্ট গোল, সেই ডিমটি সবচেয়ে বেশি পুষ্টিকর।
গবেষকরা আরও জানান, সাধারণত পাড়ার মুরগি বেশিরভাগই অন্ধকার খাঁচায় রাখা হয়। ফলে সূর্যের আলো ও ঘোরাঘুরি করার জায়গার অভাব রয়েছে। এটি ডিমের পুষ্টিগুণকে প্রভাবিত করে। ডিমের পুষ্টিগুণ কমে যায়। পরিবর্তন আসে কুসুমের রঙে। অন্যদিকে, কিছু মুরগি পর্যাপ্ত আলো-বাতাস পায় এবং বিচরণ করার জন্য প্রচুর জায়গা পায়। ফলস্বরূপ, তারা আলো ছাড়া খাঁচায় রাখা মুরগির তুলনায় অনেক বেশি স্বাস্থ্যকরভাবে বেড়ে ওঠে। কৃত্রিম উপায়ের পরিবর্তে, তারা একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় ডিম পাড়ে। ফলে তাদের ডিমের কুসুমের রং হয় কমলা বর্ণের এবং এ ধরনের মুরগির ডিম স্বাস্থ্যকর হওয়ার পাশাপাশি সুস্বাদু হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
আমাদেরকাগজ/এইচএম






















