অর্থ ও বাণিজ্য ৩১ মার্চ, ২০২৩ ১২:৩৪

সংযমী মাসে ফের বাড়ল ব্রয়লার মুরগির দাম

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

আমাদের কাগজ ডেস্কঃ চলতি মাসে কমতির পথে ব্রয়লারের দাম থাকলেও ফের বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তবে কিছুটা কমার পর বাজারে ফের বাড়তে শুরু করেছে ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির দাম। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকায়। আর সোনালি মুরগির কেজি ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায়। 

গরিবের আমিষের অন্যতম এ উৎসের দাম হঠাৎ করেই বাড়তি দেখে অস্বস্তি দেখা দিয়েছে ভোক্তাদের মধ্যে। রাজধানীর অধিকাংশ বাজারেই ব্রয়লার মুরগির দাম এভাবে বেড়ে যাওয়ার নজির সৃষ্টি হয়েছে। 

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারিতে আবারও দাম বেড়ে যাওয়ায় তারাও দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। শুক্রবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

কারওয়ান বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী আজাদ হোসেন বলেন, দুই দিন ধরে মুরগির দাম আবারও বাড়তে শুরু করেছে। পাইকারিতে দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও কেজি প্রতি ব্রয়লার মুরগি ২০ থেকে ৩০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ১০ থেকে ২০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, মুরগির বাজার কিছুটা ওঠানামা করবেই। তবে ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকার মধ্যে থাকাটা ভালো। দাম যেন আর না বাড়ে, সেটি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।

এর আগে, রমজান মাস শুরু হওয়ার দুই দিন আগে ব্রয়লার মুরগির দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে কেজিপ্রতি বিক্রি হয় ২৭০ টাকায়। আর সোনালি মুরগি বিক্রি হয় ৩৮০ টাকা কেজি। গত ২৩ মার্চ এক বৈঠকে এফবিসিসিআই সরকারকে মুরগি আমদানি উন্মুক্ত করে দেওয়ার পরামর্শ দিলে খামারিরা দাম কমানো শুরু করে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কমে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় দাঁড়ায়। একই সঙ্গে সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কমে ৩৪০ টাকায় নেমে আসে।

এদিকে, সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনে ১০ টাকা বেড়ে ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। পাশাপাশি বেড়েছে মাছের দামও। 

কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে সাড়ে চার শ টাকায়। এ ছাড়া কাতল মাছ বিক্রি হচ্ছে সাড়ে তিন শ টাকা কেজি।

উল্লেখ্য,খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানে অধিকাংশ রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকে। এজন্য মুরগির চাহিদা কিছুটা কমে গেছে তাই খামার থেকে কেজি দরে মুরগি বিক্রি হলে খুচরায় কেজি দরে কিনতে পারবেন ভোক্তারা। পরিবহন, ঘাটতি অন্যান্য খরচ মিলিয়ে বাজারে দামের পার্থক্য হবে। 

হাতের নাগালের বাইরে যাওয়ার আগে অনেক ভোক্তা দাবী জানিয়েছে,সরকারি তদারকি আরো বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য। যাতে ব্রয়লার মুরগির দাম শুনলেই যেন ক্রেতাদের ঘাম না ছুটে। 

আমাদের কাগজ/এমটি