নিজস্ব প্রতিবেদক
নাটোরের গুরুদাসপুরে যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় স্ত্রী রোজিনা খাতুনের মুখে বালিশ চেপে মারপিটের পর জ্বলন্ত সিগারেট দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে পুড়িয়ে ক্ষতবিক্ষত করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী মিঠুন আলীর বিরুদ্ধে।
গত কাল সোমবার (০৬ অক্টোবর) রাতে উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নির্যাতিত গৃহবধূ রোজিনা ওই গ্রামের রবিউল ইসলামের মেয়ে। অভিযুক্ত মিঠুন একই গ্রামের আবদুল আলিমের ছেলে। এ ঘটনায় সোমবার রাতেই ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়িকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।
রোজিনা জানান, ছয় মাস আগে পারিবারিকভাবে মিঠুন আলীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। ৬ মাস যেতে না যেতেই মিঠুন যৌতুকের জন্য তাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন শুরু করে। তার পিতা-মাতা মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে নগদ দুই লাখ টাকা যৌতুক বাবদ মিঠুনকে প্রদান করেন। কিছুদিন পরে আবার নির্যাতন করতে থাকে। আবার তার বাবার বাড়ি থেকে আরও দেড় লাখ টাকা নিয়ে আসতে বলে। যৌতুকের ওই টাকা দিতে অস্বীকার করলে মিঠুন তার ওপর নির্যাতনের এক পর্যায়ে সোমবার রাতে তার সমস্ত শরীরে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে এবং শরীরের স্পর্শকাতর জায়গায় জ্বলন্ত সিগারেটের আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। রোজিনার চিৎকারে এলাকাবাসী ও স্বজনরা রোজিনাকে উদ্ধার করে গুরুদাসপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হাসপাতালের টিএইচএ মুজাহিদুল ইসলাম জানান, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে সিগারেটের আগুনে পুড়ানোর চিহ্ন পাওয়া গেছে।
এই ব্যাপারে গুরুদাসপুর থানার ওসি মোজাহারুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত চলছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।






















