ডেস্ক রিপোর্ট ।।
বাংলাদেশ পুলিশের সিনিয়র এএসপি (সিআইডি) সুমন কুমার দাস বাদী হয়ে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে আটজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। এ বিষয়ে আজ বুধবার (২০ নভেম্বর) সিআইডি তাদের ফেসবুক পেজে একটি প্রেস রিলিজ দেন।
পাঠকদের সুবিধার জন্য প্রেস রিলিজটি নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো-
"প্রেস রিলিজ সিআইডি ২০-১১-২০১৯
প্রশ্নফাঁস মানিলন্ডারিং মামলা
সূত্রঃ উত্তরা পশ্চিম (ডিএমপি) থানার মামলা নং-০৩, তারিখঃ ০৭/০১/২০১৯ খ্রিঃ, ধারা-মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২(সংশোধনী/২০১৫) এর ৪(২)
বাদীঃ সুমন কুমার দাস, বিপি-৮০১৪১৬৬২৭৩, সিনিয়র এএসপি, সাইবার পুলিশ সেন্টার, সিআইডি
আসামীঃ ০৮ জন (জামিনঃ০৬, পলাতকঃ০২)
জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল, বিশেষ পুলিশ সুপার (অর্গানাইজড ক্রাইম), সিআইডি, বাংলাদেশ পুলিশ এর নির্দেশনায় মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ রুহুল আমিন, অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার, অর্গানাইজড ক্রাইম (ইকোনমিক ক্রাইম স্কোয়াড) এর আবেদনের প্রেক্ষিতে অদ্য ২০-১১-২০১৯ খ্রিঃ তারিখে বিজ্ঞ সিনিয়র স্পেশাল জজ, মহানগর দায়রা জজ আদালত, ঢাকা এর আদেশবলে
১। এজাহারনামীয় ৩নং আসামী অলিপ কুমার বিশ্বাসের ব্যাংক হিসাবে জমাকৃত ৫৮.২৭ লাখ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত; এবং
২। এজাহারনামীয় ৭নং আসামী মোঃ মাসুদ রহমান @ তাজুলের গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকার ৪.১২৫ কাঠা জমি ক্রোক করা হয়।
উল্লেখ্য, একই মামলায় গত ০৩-১১-২০১৯ খ্রিঃ তারিখে একই আদালতের আদেশ নং-০১, তারিখঃ ০৩-১১-২০১৯ খ্রিঃ মূলে এজাহারনামীয়
ক) জমিসহ খুলনার ০৬ তলা বাড়ি ও
খ) নড়াইলের ডুপ্লেক্স বাড়ি ক্রোক করতঃ যথাক্রমে পুলিশ কমিশনার, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং পুলিশ সুপার, নড়াইল- গনকে তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ করা হয়।"





















