অপরাধ ও দুর্নীতি ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:৪৯

সেই ধর্ষণের ও হত্যার দায়ে কারাগারে সাফায়েত

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

ডেস্ক রিপোর্ট

রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় সাফায়েত জামিলকে একদিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী এই আদেশ দেন

গত ফেব্রুয়ারি সাফায়েত জামিলকে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন অপর একটি আদালত সেই রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই মো. সাজেদুল হক

অপরদিকে তার আইনজীবী বি এম খাইরুল ইসলাম লিটন আসামিপক্ষে জামিন আবেদন করেন আদালত জামিন আবেদনের ওপর ১৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন

গত ফেব্রুয়ারি সাফায়েত জামিল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন

মামলাটিতে গত ৩১ জানুয়ারি নিহত শিক্ষার্থীর দুই বন্ধু মর্তুজা রায়হান চৌধুরী (২১) নুহাত আলম তাফসীরের (২১) পাঁচদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত এর মধ্যে মর্তুজা রায়হান ফেব্রুয়ারি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন একইদিনে অপর আসামি তফসিরকে কারাগারে পাঠানো হয় গ্রেফতারের পর নেহা নামে নিহতের এক বান্ধবীকে গত ফেব্রুয়ারি দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত সেই রিমান্ড শেষে নেহাকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে

গত ৩১ জানুয়ারি চারজনকে আসামি করে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন ওই তরুণীর বাবা মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করা হয়

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় মর্তুজা রায়হান ওই তরুণীকে নিয়ে মিরপুর থেকে আসামি আরাফাতের বাসায় যান সেখানে স্কুটার রেখে আরাফাত, ওই তরুণী রায়হান একসঙ্গে উবারে করে উত্তরা নম্বর সেক্টরের ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যান সেখানে আগে থেকেই আরেক আসামি নেহা এবং একজন সহপাঠী উপস্থিত ছিলেন সেখানে আসামিরা ওই তরুণীকে জোর করেঅধিক মাত্রায়মদপান করান

মামলার এজহারে আরও বলা হয়, মদপানের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী তরুণী অসুস্থ বোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্মদপুরে তার এক বান্ধবীর বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নুহাতের বাসায় নিয়ে যান সেখানে তরুণীকে একটি রুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন রায়হান সময় রায়হানের বন্ধুরাও রুমে ছিল

ধর্ষণের পর রাতে ওই তরুণী অসুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসিম খানকে ফোন দেন সেই বন্ধু পরদিন এসে তরুণীকে প্রথমে ইবনে সিনা পরে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করেন দুই দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর ওই তরুণী মারা যান