খেলাধুলা ২৪ নভেম্বর, ২০১৯ ০৩:৩৩

দিবারাত্রির গোলাপি বল নিয়ে হার্শা ভোগলে ও সঞ্জয়ের কথার লড়াই

স্পোর্টস ডেস্ক।। 

গোলাপি বলের দিবারাত্রির ঐতিহাসিক টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশকে ইনিংস ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে বিরাট কোহলির ভারত। যে যাই বলুক ম্যাচটির মূল নায়ক গোলাপি বল। প্রথমবারের মতো ওই বলে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ ও ভারত। ওই গোলাপি বল নিয়েই তর্কে জড়ালেন ভারতীয় ধারাভাষ্যকার হর্ষা ভোগলে ও সঞ্জয় মাঞ্জেরেকর।

গোলাপি বলে হেলমেটে আঘাত পেয়ে মাঠ ছেড়েছেন বাংলাদেশের লিটন দাস, মোহাম্মদ নাইম ও মোহাম্মদ মিথুন।

ধারাভাষ্যের একপর্যায়ে গোলাপি বলটির দৃশ্যমান হওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ধারাভাষ্যকার হর্ষ ভোগলে। তবে তা মানতে নারাজ ভারতের হয়ে ৩৭ টেস্ট খেলা সঞ্জয় মাঞ্জেরেকর। বরং হর্ষকে খোঁচা দিয়ে তিনি জানান, ক্রিকেট খেলে থাকলে এমন প্রশ্ন করার কথা না তাঁর (হর্ষ ভোগলে)।

হর্ষ ভোগলে বলেন, ‘এই ম্যাচটার একটা পোস্ট মর্টেম হওয়া উচিত। বলটার দৃশ্যমান হওয়া নিয়ে প্রশ্ন আছে, বিশেষ করে সাদা স্ক্রিনের বিপরীতে।’

সঞ্জয় তখন বলেন, ‘আমি তা মনে করি না। যেভাবে স্লিপে ক্যাচ নিয়েছে ফিল্ডাররা। আমি মনে করি না দৃশ্যমানতা আদৌ কোনো ইস্যু। ইস্যু হচ্ছে বলটার ধরন।’

হর্ষ ভোগলে বলেন, ‘দুই দলের ব্যাটসম্যানদেরই জিজ্ঞাসা করুন। তারা কী ভাবছে বলটি নিয়ে?’

সঞ্জয় বলেন, ‘আপনি বলতে চাইছেন বিরাট কোহলি বলটি ঠিক মতো দেখেননি?’

হর্ষ ভোগলে বলেন, ‘ বলটা যদি নিয়মিত ব্যবহার হয় তাহলে এর সবকিছু দেখা প্রয়োজন।’

এবার সঞ্জয় বলেন, ‘তোমার জিজ্ঞাসা করা উচিত। যারা ক্রিকেট খেলেছে তাদের কাছে এটা পরিষ্কার যে, বলটা দেখা যাচ্ছে।’

হর্ষ ভোগলে একজন তারকা ধারাভাষ্যকার। কিন্তু তিনি নিয়মিত ক্রিকেটার ছিলেন না। ভারতীয় ক্রিকেট তারকা সঞ্জয় মাঞ্জেরেকর সেই সুযোগটা নিয়েই ভোগলেকে খোঁচাটা দেন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেট দলে ছিলেন সঞ্জয়।

তবে ভোগলেও পাল্টা জবাব দেন। তিনি মনে করেন ক্রিকেট না খেলাটা বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা নয়। তিনি বলেন, ‘আমরা কিন্তু কেউই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলিনি।’ আমরা বলতে হর্ষ নিজের পাশাপাশি সঞ্জয়কে বুঝিয়েছেন, তা বুঝতে কষ্ট হয় না! ২০০৪ সালে প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি চালু হয়। এর আট বছর আগেই যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায় নিয়েছেন সঞ্জয় মাঞ্জেরেকর!