স্পোর্টস ডেস্ক।।
বেশ ক'দিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেটের বরপুত্র সাকিব আল হাসানকে জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করায় সব ধরনের ক্রিকেটে দুই বছর নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। তবে দায় স্বীকার করায় এক বছর নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করা হয়েছে। ফলে এক বছর পরই খেলতে পারবেন তিনি। গেল ২৯ অক্টোবর এই নিষেধাজ্ঞা দেয় ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি।
নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার আগে সাকিবের আইসিসির অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিংয়ে ওয়ানডেতে অবস্থান ছিল এক নাম্বার, টি-টুয়েন্টিতে দ্বিতীয় সেরা আর টেস্টে তৃতীয় নাম্বার সেরা।
সোমবার (১১ নভেম্বর) আইসিসি টি-টুয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে হালনাগাদ করে। তাতে দেখা যায় এক নাম্বারে উঠে এসেছেন আফগানিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী, দুই নাম্বারে আছেন অজি অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। চার নম্বরে টাইগারদের নয়া টি-টুয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সেরা দশে তো বটেই, সেরা একশতেও ছিলো না সাকিবের নাম।
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) আইসিসি হালনাগাদ করেছে ওয়ানডে র্যাঙ্কিং। যেখানে আগে শীর্ষে থাকা সাকিব নেই কোনো খানে। ৩১৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে এক নাম্বারে উঠে এসেছেন ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস। ৩০৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে দুই নাম্বারে আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবী। তিন নাম্বারে থাকা পাকিস্তানের ইমাদ ওয়াসিমের রেটিং পয়েন্ট ২৯৫। চারে আছেন ইংল্যান্ডের ক্রিস ওকস (২৬৭), পাঁচে আছেন আফগানিস্তানের রাশিদ খান (২৬৩)।
আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে হালনাগাদ করবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার টেস্ট সিরিজ শেষ হবার পর। এখন পর্যন্ত অলরাউন্ডারের র্যাঙ্কিংয়ে তিন নম্বরে থাকা সাকিব আল হাসানের নাম তখন মুছে যাবে সেখান থেকেও।
উল্লেখ্য, আইসিসি কর্তৃক কোনো ক্রিকেটার নিষিদ্ধ থাকলে তিনি র্যাঙ্কিংয়ে অন্তর্ভূক্ত হতে পারেন না।






















