স্পোর্টস ডেস্ক: আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে অপ্রত্যাশিত হারের পর সিরিজ বাঁচাতে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। টস জিতে আফগানিস্তানকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় খন্ডকালীন অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়া লিটন দাস। শুরুটা যেভাবে করেছিল আফগানিস্তান তাতে সংগ্রহ ৪০০ এর আশেপাশেই ধরা হচ্ছিল। তবে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে আফগানদের রানের চাকায় লাগাম দেয় বাংলাদেশের বোলাররা। ২৫৬ রানে উদ্বোধনী জুটি ভাঙে সফরকারীদের। এরপর নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে আফগানিস্তান থামে ৩৩১ রানে।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বোলারদের পাত্তায় দিলেন না আফগানিস্তানের উদ্বোধনী ব্যাটাররা। রহমতউল্লাহ গুরবাজ আর ইব্রাহিম জাদরান মিলে উদ্বোধনী জুটিতেই আফগানরা তুলল ২৫৬ রান। যখনই মনে হচ্ছিল এই জুটি বোধহয় থামবে না তখনই কিছুটা স্বস্তি এনে দিলেন সাকিব আল হাসান।
তবে সে সিদ্ধান্তও বাংলাদেশের পক্ষে কথা বললো না। আফগান দুই ওপেনারের ব্যাটিং দাপটে উড়ে গেল বাংলাদেশের বোলিং ইউনিট। বাংলাদেশের বোলিং ইউনিট শুরুতে আক্রমণ করবে কী, উল্টো আক্রমণের শিকার হয়েছে! মোস্তাফিজুর রহমান, ইবাদত হোসেনদের পাত্তায় দেননি আফগানিস্তানের দুই ওপেনার রহমতউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান।
দুই স্পিনার সাকিব আল হাসান ও মেহেদি হাসান মিরাজকেও ব্যবহার করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক লিটন। তাতেও কাজ হয়নি। বিশেষ করে গুরবাজ ছিলেন দুর্দান্ত। শুরু থেকেই মারমুখী এই ওপেনার। অপর দিকে ইব্রাহিম এগিয়েছেন কিছুটা রয়েসয়ে। বাংলাদেশ বারবার বোলিং পরিবর্তন করেও আফগানিস্তানের ওপেনিং জুটি ভাঙতে পারেনি। তেমন কোনো সুযোগই দেননি দুজন।
২৮তম ওভারের প্রথম বলে এক রান নিয়ে ক্যারিয়ারর চতুর্থ সেঞ্চুরি তুলে নিলেন গুরবাজ। এক ওভার পরে অর্ধশতক পূর্ণ করলেন জাদরানও। এরপরেই আরও বেশি মারমুখী হয়ে ওঠেন গুরবাজ। একের পর এক বল আছড়ে ফেলতে শুরু করেন বাউন্ডারিতে।
১০০ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করা গুরবাজ পরের ২৪ বল খেলে করেছেন ৪৫ রান। দেড়শ রান থেকে মাত্র ৫ রান দূরে থাকতে ইনিংসের ৩৭তম ওভারের প্রথম বলে সাকিব আল হাসানের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে ফেরেন। গুরবাজ যখন ফিরছেন তখন স্কোরবোর্ডে আফগানদের রান ২৫৬। দুর্দান্ত ইনিংসটি গুরবাজ সাজিয়েছেন ১২৫ বলে ১৩টি চার আর ৮টি ছক্কায় ১৪৫ রানে।
পরের ওভারে বল হাতে এসে ইবাদত হোসেন তুলে নিলেন রহমত শাহকে। এতেই ২৫৯ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারাল আফগানরা।
আমাদেরকাগজ/এইচএম






















