মুশফিকুর রহিম। নিঃসন্দেহে দেশসেরা ব্যাটসম্যান। ব্যাটিংয়ে তার টেকনিক, স্কিল নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অবকাশ নেই। বর্তমান তো বটেই, বগুড়ার এই ক্রিকেটার বাংলাদেশের সবকালের সেরা ব্যাটসম্যানদের তালিকায় নিজের নামটি রাখার যোগ্যতা রাখেন। তাই তার ব্যাটিং দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে না কেউ।
ব্যাটিংয়ের সুনামগাঁথার মতো কিপিংয়ে ঠিক উলটো চরিত্র মুশফিক। গ্লাভস হাতে দূরবস্থার জন্য তাকে প্রতিনিয়তই অভিযোগের তীর ঠেকাতে হয়। এমন অনেক ম্যাচ আছে যেখানে শুধু মুশফিকের বাজে কিপিংয়ের জন্য হারতে হয়েছে। তার বড় প্রমাণ গেলো বিশ্বকাপ। রস টেইলরকে রান আউট করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। তার বিনিময় গুনতে হয়েছে হার দিয়ে। এছাড়াও চলতি ত্রিদেশীয় টি-২০ টুর্নামেন্টে আফগানিস্তানের সাথে প্রথম ম্যাচে চরম বাজে কিপিং করেছেন এই টপ-অর্ডার।
উইকেটের পিছনে ধৈন্যদশার কারণে তাই ভক্তরা মুশফিকের সমালোচনা করতে ছাড়েন না। টাইগার ফ্যানদের অভিযোগ, দলে তো লিটনও আছে। আর মুশফিকের চেয়ে গ্লাভস হাতে লিটন ঢের ভালো। তবে লিটনকে দিয়ে কেন কিপিং করানো হয় না? এতো ভুলের পরও মুশফিককেই কেন গ্লাভসের দায়িত্ব দেয়া হয়? এবার এসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন টাইগার হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। তিনি তার উত্তরে লিটন ও মুশফিকের পার্থক্য বুঝিয়েছেন। আর কিপিংয়ে এগিয়ে রেখেছেন টাইগার সাবেক অধিনায়ককেই।
আজ ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে ডোমিঙ্গো বলেন, ‘না না, মুশফিকের বদলে অন্য কারো কিপিং করার সম্ভাবনা নেই। দলে যে কয়জন ভালো ফিল্ডার আছে তাদের মধ্যে অন্যতম লিটন দাস। আমি মনে করি সে মুশির (মুশফিকুর রহিম) চেয়ে ভালো ফিল্ডার। আমার কাছে মাঠে কয়েকজন ভালো ফিল্ডার থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। মাঠে লিটন, আফিফ, (নাজমুল হোসেন) শান্তর মতো ফিল্ডাররা যে ৫-৬ রান বাচিয়ে দেয় সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
তিনি আরো বলেন, ‘এটা একটা কারণ যে লিটন দারুণ এক ফিল্ডার। মুশফিক হয়তো কয়েকটা সুযোগ মিস করেছে। তবে সে একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। উইকেটের পেছনে থেকে সে বেশ ভালো ভিউ পায় মাঠের। যা দিয়ে সে ক্যাপ্টেনকে সাহায্য করতে পারে।’






















