খেলাধুলা ৯ নভেম্বর, ২০২২ ০১:১৯

সমকামিতা নিয়ে যা বললেন বিশ্বকাপদূত খালিদ সালমান

ছবি:ইন্টারনেট

ছবি:ইন্টারনেট

স্পোর্টস ডেস্ক: সমকামিতা 'মনের ক্ষতি' করে বলে মনে করেন কাতার বিশ্বকাপের রাষ্ট্রদূত খালিদ সালমান। জার্মান টেলিভিশন জেডডিএফকে এক সাক্ষাৎকারে এমন কথা জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন কাতারে সমকামিতা হারাম। এই আইন সবাইকে মানতে হবে।

উপসাগরীয় দেশটি দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় আসরের আয়োজন করতে যাচ্ছে। তারা সেখানে জন্য এক মিলিয়নেরও বেশি দর্শক প্রত্যাশা করছে। ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষে ১০ লাখের বেশি পর্যটক কাতার ভ্রমণ করবেন বলে প্রত্যাশা করছে দেশটি। সাক্ষাৎকারের একাংশে খালিদ সালমান বলেছেন, এখানে আমাদের আইন তাদের মেনে নিতে হবে। (সমকামিতা) হারাম। হারাম মানে কি জানেন?

সমকামিতা হারাম কেন, প্রশ্নের জবাবে কাতারের এই বিশ্বকাপ দূত বলেন, ‘আমি কট্টরপন্থী মুসলিম নই। কিন্তু এটা হারাম কেন? কারণ এতে মনের ক্ষতি হয়।’খালিদ সালমানের একজন সহকারী কর্মকর্তা এই প্রশ্নের পরপরই সাক্ষাৎকার গ্রহণ পর্বটি বন্ধ করে দেন। এই বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলেও কাতার বিশ্বকাপের আয়োজকরা মন্তব্য করতে রাজি হননি বলে জানিয়েছে রয়টার্স। মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাও।

তবে আয়োজকরা বারবার বলেছেন, বিশ্বকাপ চলাকালীন কাতারে প্রত্যেককে স্বাগত জানানো হবে। মধ্যপ্রাচ্যের প্রথম দেশ হিসেবে চলতি বছরের ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক কাতার। বিশ্বকাপ আয়োজনের অনুমতি পাওয়ার পর থেকে স্টেডিয়াম ও অন্যান্য স্থাপনার নির্মাণকাজে নিয়োজিত বিদেশি শ্রমিকদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ও বিধি-নিষেধমূলক সামাজিক আইনের কারণে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গোষ্ঠীর তীব্র চাপের মুখে রয়েছে উপসাগরীয় অঞ্চলের ছোট এই দেশ।

কাতারের মানবাধিকার লঙ্ঘনের রেকর্ডের কারণে ফুটবল দল ও কর্মকর্তাদের প্রতি আগামী ২০ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ফুটবল বিশ্বকাপ বয়কটের আহ্বানও জানিয়েছেন অনেকে। 

সমকামিতা নিয়ে পশ্চিমা বিশ্বের অনেক দেশেই নানা বিতর্ক রয়েছে। কিছু দেশ এটিকে বৈধতা দিলেও তা নিয়ে বহু সমালোচনা রয়েছে। আর মুসলিম দেশগুলোতে একই লিঙ্গের মানুষের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ককে তীব্রভাবে নিষিদ্ধ হিসেবে দেখা হয়। 
 

আমাদের কাগজ//টিএ