খেলাধুলা ১০ নভেম্বর, ২০২০ ০৩:৩৭

বাংলাদেশকে হারাতে চায় নেপাল

স্পোর্টস ডেস্ক 

বাংলাদেশ ফুটবল দলকে সমীহ করলেও, প্রীতি ম্যাচে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী নেপালের ফুটবলাররা। কোভিডের কারণে তাদের ৭ জন ফুটবলার না আসতে পারলেও, তাতে কোন সমস্যা দেখছেন না তারা। যদিও, দীর্ঘদিন মাঠ থেকে দূরে থাকায় ফিটনেস নিয়ে চিন্তা আছে নেপালীদেরও।

কিরান চেমজং আর অ্যালান নিউপেনের কঠোর অনুশীলন দেখলেই বোঝা যায়, বাংলাদেশকে কতটা সিরিয়াসলি নিয়েছে বালগোপাল মহারজন বাহিনী। ওয়ার্ম আপের পর থেকে, ফিল্ড গোল আর সেট পিস আটকানোর মহড়া চলে প্রায় ঘন্টাখানেক। লাল-সবুজের জালে গোল দেয়া সম্ভব হোক না হোক, গোল হজম করা যাবে না কোন অবস্থাতেই, এই মন্ত্রের দীক্ষা নিয়েছেন গোলকিপাররা।

মাঠের আরেক পাশে শিষ্যদের ফিটনেস নিয়ে কাজ করছিলেন প্রধান কোচ বালগোপাল। ম্যাচটা যে তার জন্যও অনেক কিছু প্রমাণের। কোভিডের কারণে, মূল কোচ দলের সঙ্গে না থাকায়, হঠাৎ পাওয়া দায়িত্বটায় পা পেছলাতে চান না তিনি।

নিজেদের প্রমাণের তাড়া আছে ফুটবলারদেরও। করোনার কারণে বাদ পড়েছেন মূল স্কোয়াডের অন্তত ৪ জনসহ ৭ খেলোয়াড়। তাই তাদেরকে ছাড়াও যে জয় সম্ভব সেটা দেখিয়ে দিতে হবে। তবে ফিটনেস নিয়ে হালকা চিন্তা আছে তাদের।

নেপালের ফুটবলার বিক্রম লামা বলেন, অনেকদিন পর মাঠে ফিরেছি, এটা আমাদের জন্য বড় পাওয়া। কোভিড আমাদের ৭ ফুটবলার কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু আমরা এখন আর সেটা নিয়ে ভাবছিনা। যারা এখানে এসেছি, তারা প্রত্যেকেই খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। অনেকদিন খেলার মধ্যে না থাকায়, আমাদের ফিটনেসে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে ম্যাচের আগে অবশ্যই আমরা ফিট হয়ে যাবো।

সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স হিসেব করলে, নেপালও এখন শক্ত প্রতিপক্ষ লাল-সবুজের কাছে। শেষ দুই দেখাতেই জয় পেয়েছে হিমালয়ের দেশটি। স্বাগতিকদের সমীহ করলেও, জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার প্রত্যয় নেপালীদের।

দলের ফুটবলার ভারত খাওয়াস বলেন, জয় পেতেই হবে, এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। অনেকদিন মাঠে ছিলাম না আমরা কেউই। তাই ম্যাচটা আমাদের দুই দলের জন্যই কষ্টকর হবে। তবে ইন্টারন্যাশনাল সার্কিটে কেউ হারার জন্য মাঠে নামেনা। আমরাও নামবোনা। জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে দারুণ হবে।

দুটি প্রীতি ম্যাচের আগে আরো দু'দফায় করোনা টেস্টের মুখোমুখি হতে হবে নেপাল ফুটবল দলের সদস্যদের।