বিনোদন ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১২:৩৫

স্টার সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পাচ্ছে ‘টম অ্যান্ড জেরি’

বিনোদন ডেস্ক

বিশ্বের সর্বাধিক পরিচিত এবং জনপ্রিয় কার্টুন সিরিজটম অ্যান্ড জেরি শুধু শিশুদের কাছে নয়, সব বয়সের মানুষের কাছেটম অ্যান্ড জেরি আবেদন রয়েছে। এই ইঁদুর আর বিড়াল বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কার্টুন চরিত্র।

ছোট পর্দা ছাড়িয়ে এবার তারা হাজির হলিউডের বড় পর্দায়।টম অ্যান্ড জেরিনামেই নির্মিত হয়েছে ছবিটি। পরিচালনা করেছেন টিম স্টোরি। প্রযোজনা করেছেন ক্রিস্টোফার ডিফারিয়া। পরিবেশিত হবে ওয়ার্নার ব্রাদার্স পিকচারের ব্যানারে।

২৬ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পাবে ছবিটি। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাচ্ছে সিনেমা। নিশ্চিত করেছে স্টার সিনেপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ।

পাশাপাশিদ্য রেকনিংছবিটিও দিন মুক্তি দিচ্ছে স্টার সিনেপ্লেক্স। অ্যাডভেঞ্চার হরর ঘরানার ছবি পরিচালনা করেছেন নেইল মার্শাল।

টম অ্যান্ড জেরি
উইলিয়াম হানা জোসেফ বারবেরা এই চরিত্র দুটোকে সৃষ্টি করেছিলেন প্রায় ৮০ বছর আগে, ১৯৪০ সালে। এরপর তদের নিয়ে তৈরি হয়েছে ১৬৪টি অ্যানিমেটেড শর্ট স্টোরি, টিভি সিরিজ এবং বেশ কয়েকটি ছবি। কার্টুনের বই থেকে, ছোট পর্দা মাতিয়ে এবারটম অ্যান্ড জেরিআসছে বড় পর্দায়।

কমেডি ধাঁচের এই ছবিতে মূল ভূমিকায় দেখা দেবেন মার্কিন অভিনয়শিল্পী চোলে গ্রেস মোর্টজ এবং মাইকেল পেনা। এখানে তাদের নাম কাইলা আর টেরেন্স। ছবিতে দেখা যাবে বিড়াল টম আর ইঁদুর জেরিকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তারা আশ্রয় নিয়েছে একটা বিলাসবহুল হোটেলে। সেখানে বেশ আয়েশেই দিন কাটছে। মোর্টজ সেই হোটেলের কর্মচারী।

তার ওপর আদেশ এসেছে, টম আর জেরিকে হোটেল থেকে বের করে দিতে হবে। যদি সে না পারে, তবে চাকরি হারাবে। কিন্তুটম অ্যান্ড জেরিকে বের করা এত সহজ? পদে পদে জব্দ হতে হয় তাকে। এভাবেই এগিয়ে চলে ছবির গল্প। ভ্যারাইটি জানিয়েছে, ভক্তরা টেলিভিশনে টম, জেরি অন্য চরিত্রগুলো যে চেহারায় দেখেছেন চলচ্চিত্রেও তারা তেমনই থাকবে।

ছবিতে দেখা যাবে বাস্তব দুনিয়ার পরিবেশ, মানুষকে। তবে টম আর জেরি তার মধ্যেই থাকছে তাদের নিজেদের চেহারাতেই।

দ্য রেকনিং
১৬৬৫-৬৬ সালে যখন কোনো প্রযুক্তি ছিলো না তখনকার সময়ের একটি গল্পের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছেদ্য রেকনিংছবিটি। ১৬৬৫ সালে লন্ডনে সবচেয়ে মারাত্মক বুবোনিক প্লেগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল। মাত্র সাত মাসে লন্ডনের প্রায় লাখ অধিবাসীর মৃত্যু হয়েছিল।

লন্ডনের পুরো জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল মহামারি প্লেগের দিনগুলোয়। এই প্লেগে আক্রান্ত হয়ে গ্রেস হ্যাভারস্টকের স্বামী মারা যায়। এরপর হ্যাভারস্টককে অন্যায়ভাবে ডাইনি বলে অভিযুক্ত করা হয়।

শাস্তিস্বরূপ তাকে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে নির্মম জাদুকরী শিকারি মুরক্রফটের হেফাজতে রাখা হয়। শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনে পর্যুদুস্ত গ্রেস এক পর্যায়ে নিজের ভেতরের ভৌতিক সত্বার মুখোমুখি হওয়ায় শয়তান তার মধ্যে প্রবেশ করতে শুরু করে। এরপর ঘটতে থাকে একের পর এক হাঁড় হিম করা ঘটনা।