ডেস্ক রিপোর্ট।।
রাজশাহীর চারঘাট সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের গুলি বিনিময়ের ঘটনা নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমের আচরণ কট্টর জাতীয়বাদের বহিপ্রকাশ। বলছেন ঢাকার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। তারা মনে করেন, বাংলাদেশের উচিত হবে বিষয়টি বাড়তে না দেয়া।
হঠাৎই উত্তেজনা বন্ধু প্রতিম দুই দেশের মাঝে। রাজশাহীর চারঘাট সীমান্তে পদ্মা নদীর বাংলাদেশ অংশে অনুপ্রবেশের দায়ে ভারতের এক জেলেকে আটকের মধ্য দিয়ে এর সূত্রপাত।
বৃহস্পতিবার সকালে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বিএসএফ এর জওয়ানরা বাংলাদেশে ঢুকে ওই জেলেকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা ও এক পর্যায়ে গুলি চালালে বিজিবিও আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালায়। এতে এক বিএসএফ সদস্য নিহত ও একজন আহত হয়েছে বলে খবর প্রকাশ করছে ভারতীয় গণমাধ্যম। এবং মিথ্যা তথ্য দিয়ে দোষ চাপিয়েছে বাংলাদেশের ঘাড়ে।
ভারতীয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশের ওপর দোষ চাপিয়ে দেবার বিষয়ে ঢাকার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ও সাবেক কূটনীতিকরা বলছেন, এটা তাদের কট্টর জাতীয়বাদেরই বহিপ্রকাশ। তারা বলেন, বাংলাদেশকে এর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে হবে।
তবে, এ ঘটনায় ভারতের সাথে সম্পর্কের অবনতি হবে না বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। তিনি জানান, বিষয়টি খতিয়ে দখেতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আর মোবাইল বার্তায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিষয়টি দুই দেশের সীমান্ত বাহিনী দেখভাল করছে এবং এটা দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আসেনি।



















