ডেস্ক রিপোর্ট ।।
বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্যে উদ্ভাবনী শীর্ষ ১০০ নারী নেতৃত্বের তালিকায় ৪০তম অবস্থানে আছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কমিটি ফর অটিজম অ্যান্ড নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডারের চেয়ারপারসন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির গ্লোবাল মেন্টাল হেলথ প্রোগ্রামসের ফাইভ অন ফ্রাইডে গত ২০ সেপ্টেম্বর এই তালিকাটি প্রকাশ করে।
সায়মা ওয়াজেদের সম্পর্কে তালিকাটিতে বলা হয়েছে, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) এক্সপার্ট অ্যাডভাইজরি প্যানেল অন মেন্টাল হেলথের একজন সদস্য তিনি। সম্প্রতি ডব্লিউএইচও এর দক্ষিণপূর্ব এশিয়া অঞ্চলের গুডউইল অ্যাম্বাসেডর ফর অটিজম হিসেবে নির্বাচিত হন সায়মা।
এতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশে অটিজমে আক্রান্ত মানুষের মুখপাত্র হিসেবে সায়মা ওয়াজেদের ইনোভেটিভ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
মানসিক রোগীদের প্রতি সংবেদনশীল মানুষ ও তাদের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করার জন্য আইনজীবী, নেতা, শিল্পী, বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও চিকিৎসকরা এই তালিকাটিতে ঠাঁই পেয়েছেন।
পুতুল ডাকনামে পরিচিত বঙ্গবন্ধুর নাতনি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা বাংলাদেশে অটিজমসহ মানসিক স্বাস্থ্য সেবার প্রসারে নিয়োজিত। তিনি অটিজম বিষয়ক বাংলাদেশের জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি।২০১৭ সালে ডব্লিউএইচও তাকে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের ‘শুভেচ্ছা দূত’ নিয়োগ দেয়।
স্কুল সাইকোলজিস্ট হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে সনদপ্রাপ্ত সায়মাকে এর আগে এ অঞ্চলের জন্য অটিজম বিষয়ক চ্যাম্পিয়ন নিয়োগ দেয় ডব্লিউএইচও। ওই বছরই ভুটানে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অটিজমসহ স্নায়ু বৈকল্য বিষয়ে ‘থিম্পু ঘোষণা’ প্রণয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
অটিজম বিষয়ে জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবদানের জন্য ডব্লিউএইচও তাকে ২০১৪ সালের জন্য ‘এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ দিয়েছে।
ডব্লিউএইচওর মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা প্যানেলের সদস্য সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের উদ্যোগেই ২০১১ সালে ঢাকায় প্রথমবারের মতো অটিজম বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।






















