আন্তর্জাতিক ২৯ জানুয়ারি, ২০২৩ ০৬:৩৪

মিলল সোনায় মোড়ানো মমি তাও ৪৩শ বছর আগের 

ছবি - সংগৃহীত

ছবি - সংগৃহীত

আমাদের কাগজ,আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মমির সঙ্গে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত। কেউ দেখে আবার কেউ না দেখেও এর সাথে সবাই ঘনিষ্ঠ। মমির দেশ মিশর। সম্প্রতি দেশটির রাজধানী কায়রোর কাছে ৪ হাজার ৩শ’ বছর আগের একটি মমির সন্ধান পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা।প্রত্নতত্ত্ববিদরা বলছেন, তারা মিশরে কফিনের ভেতর থেকে সোনায় মোড়ানো একটি মমি পেয়েছেন। এটি চার হাজার ৩০০ বছরের মধ্যে একবারও খোলা হয়নি। যা রাখা ছিল, স্বর্ণের প্রলেপ দেয়া কফিনে। জানা যায়,মমিটি হেকাসহেপেস নামে এক ব্যক্তির। মিশরে রাজপরিবারের বাইরে এ পর্যন্ত যত মমি পাওয়া গেছে, সেগুলোর মধ্যে এটি সম্ভবত সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ ও পুরাতন। খবর বাংলানিউজের।  

তথ্য অনুযায়ী,রাজধানী কায়রোর দক্ষিণে সাক্কারার একটি সমাধি এলাকায় ১৫ মিটার গভীর খাদ থেকে মমিটি আবিষ্কার করা হয়। এই স্থানে তিনটি কবরে মমি পাওয়া যায়। সবচেয়ে বড় মমিটি খনুমদজেদেফ নামে এক পুরোহিতের। আরেকটি হলো মেরি নামে এক ব্যক্তির, যিনি ছিলেন রাজপ্রাসাদের এক জ্যেষ্ঠ ব্যক্তি। তার উপাধি ছিল সিক্রেট কিপার। তিনি বিশেষ ধর্মীয় আচার পরিচালনা করতেন।

আরেকটি কবরে পাওয়া মমিটি ফেতেক নামে এক বিচারক ও লেখকের বলে ধারণা করা হয়। এতে ভাস্কর্যের সংগ্রহ পাওয়া গেছে। এটিকে এই সমাধি এলাকায় পাওয়া সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য বলে ধারণা করা হচ্ছে। কবরগুলোতে পোড়ামাটির পাত্রসহ বিভিন্ন জিনিস পাওয়া গেছে। মিশরের পুরাকীর্তি মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও পুরাতত্ত্ববিদ জাহি হাওয়াস বলেন, মমিসহ অন্যান্য আবিষ্কারগুলো খ্রিস্টপূর্ব ২৫ থেকে ২২ শতাব্দীর মধ্যকার সময়ের।

প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতারও এক হাজার বছর পূর্বে উত্তর চিলি এবং দক্ষিণ পেরুর চিনচেরাতে মমির সংস্কৃতি চালু হয়। ওই অঞ্চলের আধিবাসীরা সমুদ্রের মাছ খেয়ে জীবনযাপন করত। ব্রিটিশ মিউজিয়ামে তাদের বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। 

আমাদের কাগজ/এমটি