ডেস্ক রিপোর্ট।।
ঢাকায় নিখোঁজ মোহনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার মুশফিকুর রহমানকে আহত অবস্থায় সুনামগঞ্জের গোবিন্দপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে মুশফিককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের গোবিন্দপুর এলাকার সড়কে আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তাঁকে সড়কের পাশে থাকা একটি মসজিদে নিয়ে যান। পরে এলাকাবাসী পুলিশ ও স্থানীয় সাংবাদিকদের খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তাঁকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেয়।
সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. বরকতুল্লাহ খান সকাল পৌনে ৭ টায় এ প্রসঙ্গে সারাবাংলাকে বলেন, `পুলিশি রিপোর্ট এখনো হাতে পাইনি, চেষ্টা চলছে। আপনার কাছ থেকেই উদ্ধারের প্রথম সংবাদ পেলাম।’
তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, শনিবার বিকেলে মামার সঙ্গে কথা বলতে গুলশানে যান মুশফিক। তার সঙ্গে দেখা করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাসায় ফেরার জন্য রওনা দেন। কিন্তু এরপর তিনি আর বাসায় ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তার সন্ধান না পেয়ে গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তার মামা এজাবুল হক।
জানা যায় গত ২১ জুলাই মুশফিকুরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল অজ্ঞাত ব্যক্তি। এ ঘটনায় ২২ জুলাই রাজধানীর পল্লবী থানায় লিখিত অভিযোগও করেন তিনি। সেই ঘটনার সুরাহা না হতেই নিখোঁজ হন মুশফিকুর।
রবিবার (৪ আগস্ট) গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান জানিয়েছিলেন, সাংবাদিক নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। মুশফিককে খুঁজে পেতে সব রকমের চেষ্টা চালাবেন তারা। দ্রুতই তার খোঁজ পাওয়া যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেছিলেন এই কর্মকর্তা। এছাড়া, সাংবাদিক মুশফিককে উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল


















