ডেস্ক রিপোর্ট
আজ মধ্যরাত থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ আহরণ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এসময়ে ইলিশ পরিবহন, বেচাকেনা ও মজুতও করা যাবে না। অমান্য করলে দুই বছর পর্যন্ত জেল অথবা জরিমানা গুনতে হবে।
তবে নিষেধাজ্ঞার সময়ে বিশেষ প্রণোদনা দেয়া হবে জেলেদের।অক্টোবরের এ সময়ে মিঠা পানিতে ডিম পাড়ে প্রায় ৮০ভাগ মা ইলিশ। তাই আশ্বিনের পূর্ণিমার চার দিন আগে এবং পরে ১৮ দিন, উপকূলীয় অঞ্চল, নদীর মোহনাসহ যেসব নদীতে ইলিশ পাওয়া যায়, সেখানে জাল ফেলতে পারবেন না মৎস্যজীবীরা।
লক্ষ্মীপুরে রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনাল পর্যন্ত মেঘনার ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ইলিশের অভয়াশ্রম। নিষেধাজ্ঞার কারণে এরইমধ্যে তীরে ফিরতে শুরু করেছে মাছ ধরার নৌকা।
নিষেধাজ্ঞায় বেকার হয়ে পড়বে চাঁদপুরের ৫১ হাজার জেলে। তারা বলছেন, তাদের বিকল্প আয়ের সুযোগ নেই। তাই কর্মসূচী চলার সময় নির্ভর করতে হয় সরকারি প্রনোদনার ওপর।
তবে এ বছরও পাশের দেশ ভারতের সঙ্গে মিল না রেখে নিষেধাজ্ঞা আরোপে ক্ষুব্ধ বরগুনার জেলেরা।
প্রকৃত জেলেরা সহায়তা পান না বলেও অভিযোগ তাদের।
জেলেদের অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস মৎস্য বিভাগের। কর্মকর্তারা জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে দেশের ৩৬টি জেলার নদ-নদীতে।
মাছ ধরার এই নিষেধাজ্ঞার সময় বরফ কলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং ঘাট সংলগ্ন দোকানেও জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ থাকবে।


















