নিজস্ব প্রতিবেদক
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের খালকুলাতে একটি আহত ষাঁড় পাওয়া যায়। ষাঁড়ের মালিক খুঁজতে সংবাদপত্রে দেওয়া হয় বিজ্ঞাপন, খোঁজ পড়ে সামাজিক মাধ্যমেও। শেষমেষ ঘটনা গড়ায় আদালতে।
জানা গেছে, গত ১৪ ডিসেম্বর সকালে আহত ষাঁড়টি পান নওগাঁ ইউনিয়নের খালকুলা গ্রামের আছান আলীর দুই ছেলে জামিল হোসেন ও কামিল হোসেন। তারপর ষাঁড়টি নিয়ে শুরু হয় দ্বন্দ্ব।
একাধিক গ্রামবাসী ষাঁড়টি তারা প্রথমে পেয়েছেন বলে দাবি করেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি সংঘাতে রূপ নিলে খবর দেওয়া হয় পুলিশে।
তাড়াশ থানার ওসি ফজলে আশিক ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘাত এড়াতে প্রথমে ষাঁড়টি ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মজিবুর রহমানের জিম্মায় রাখেন।
এরপর ষাঁড়টির মালিক খুঁজতে পত্রিকায় দেওয়া হয় বিজ্ঞাপন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও খোঁজা হয় ষাঁড়টির মালিক। এরপরও ষাঁড়টির মালিক খুঁজে না পাওয়ায় শেষমেষ ঘটনা গড়ায় আদালতে। পরে আদালত ষাঁড়টি নিলামে বিক্রি করে সে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
অন্যদিকে, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক তাড়াশ থানা পুলিশ গতকাল মঙ্গলবার ষাঁড়টির নিলামের আয়োজন করে। ২৬ হাজার টাকায় সবোর্চ্চ ডাকদাতার কাছে বিক্রি করা হয় ষাঁড়টি। আজ বুধবার তাড়াশ থানার ওসি ফজলে আশিক সে টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে ওসি ফজলে আশিক বলেন, কুড়িয়ে পাওয়া ষাঁড়টি নিয়ে এলাকার লোকজনের মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছিল। পরে সংঘাত এড়াতে আদালতের আদেশ নিয়ে ষাঁড়টি নিলামে বিক্রি করে সে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।



















