ডেস্ক রিপোর্ট।।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সের ভুল চিকিৎসায় তানভীর আহমেদ নামে চার মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই সময়ের দায়িত্বরত চিকিৎসক ও নার্সকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে সিভিল সার্জন ডা. আশুতোষ দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন । তিনি জানান, এ ঘটনায় ডা. বিশ্বজিৎ গোলদারকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদর্ন্ত করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে জাহাজ ভাঙা শিল্প
নিহত শিশু জেলার তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের দুধেরআওটা গ্রামের শফিনূর মিয়া ছেলে। বুধবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে শিশুটি মারা যাওয়ার পর তার স্বজনরা তাৎক্ষণিক হাসপাতালে বিক্ষোভ করেন। চিকিৎসক ও নার্সসহ এর সঙ্গে জড়িদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা।
শিশু চাচা সাবজল হোসেন বলেন,‘নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত আমার ভাতিজা তানভীরকে মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) সকালে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে তানভীরকে ডা. এনামুল হকের কাছে প্রাইভেটে দেখানো হয়। এ সময় তিনি তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করানোর নির্দেশনা দেন। পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ডা. এনামুল হকের দেওয়া প্রেসক্রিপশন না দেখে অন্য আরেকজন চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী চিকিৎসা দেন কর্তব্যরত নার্সরা।’
আরও পড়ুন: ইন্টারভিউ বোর্ডে যেভাবে শান্তা-মারিয়ামের ছাত্রীকে ধর্ষণ
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাতিজার অবস্থার অবনতি হতে দেখলেও তাকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। এর পরে বুধবার সন্ধ্যায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সময় আমার ভাতিজা মারা যায়।’
শিশুটির বাবা শফিনূর মিয়া বলেন, ‘আমার ছেলেকে ভুল চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নার্সরা ডা. এনামুল হকের প্রেসক্রিপশন না দেখে ডা. সামিউল হকের প্রেসক্রিপশন দেখে অন্য শিশুর চিকিৎসা আমার ছেলেকে দেয়। ডা. সামিউল হকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী আমার ছেলেকে সিলেট রেফার্ড করেন। আমার ছেলেকে ভুল চিকিৎসা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তাদের কারণে আমার শিশু মারা গেল। আমি এর বিচার চাই ।’




















