রাজনীতি ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১১:৫৩

আ.লীগের ইশতেহার ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা শুরু 

আমাদের কাগজ ডেস্ক: নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ ১০ টায় রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক হোটেল সোনারগাঁওয়ে এই ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এ সময় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছে আওয়ামী লীগ।

এ বারের ইশতেহারের থিম ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ আর স্লোগান হলো,‘উন্নয়ন দৃশ্যমান বাড়বে এবার কর্মসংস্থান’।

এদিন ইশতেহার উপস্থাপন করবেন দলের সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

তবে শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন ইশতেহার প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক ও দলটির প্রেসিডিয়াম ড. আব্দুর রাজ্জাক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

ইশতেহারে আওয়ামী লীগ সরকারের টানা তিন মেয়াদের অর্জন এবং আগামী মেয়াদে ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নয়নে তাদের কর্মপরিকল্পননা তুলে ধরা হয়েছে। আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় এলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দ্রব্যমূল্য সবার ক্রয় ক্ষমতায় আনতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাবে। এ বিষয়গুলোসহ দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে মোট ১১ বিষয়ে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

ইশতেহারে যে ১১ বিষয়ে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে-

১. দ্রব্যমূল্য সবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

২. কর্মোপযোগী শিক্ষা ও যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা।

৩. আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

৪. লাভজনক কৃষির লক্ষ্যে সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা, যান্ত্রিকীকরণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

৫. দৃশ্যমান অবকাঠামোর সুবিধা নিয়ে এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে শিল্পের প্রসার ঘটানো।

৬. ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

৭. নিম্ন আয়ের মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা সুলভ করা।

৮. সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় সবাইকে যুক্ত করা।

৯. আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকারিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

১০. সাম্প্রদায়িকতা এবং সব ধরনের সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ রোধ করা।

১১. সর্বস্তরে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুরক্ষা ও চর্চার প্রসার ঘটানো।