রাজনীতি ১৮ অক্টোবর, ২০২৩ ১১:৩৩

রাতে বিএনপির কোল ও পিঠের ২০ নেতাকে আটকের অভিযোগ

আমাদের কাগজ ডেস্কঃ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও দলটির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ২০ নেতাকর্মীকে আটকের অভিযোগ উঠেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে রাজধানী বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে গণমাধ্যমকে জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। 

 শায়রুল কবির খান অভিযোগ করে জানান, মঙ্গলবার রাতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাসা-বাড়ি, হোটেল থেকে বিএনপির ২০ জনের বেশি নেতাকর্মীকে আটক করেছে। আর এর মূল কারণ হিসেবে তিনি দেখছেন রাজধানীর নয়াপল্টন আজ (বুধবার) বিএনপির সমাবেশ। 

এর আগে সরকারের পদত্যাগ ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সমাবেশ ডাকে বিএনপি। 

আটক নেতাদের মধ্যে রয়েছেন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, তাতি দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ, যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নাজমুল আলম নাজু, গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নেওয়াজ চৌধুরী শাওন, কালীগঞ্জ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা তোফাজ্জল হোসেন মফা, কালিয়াকৈর স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সরকার তুহীন, কালীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সেলিম, রাজশাহী জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল-আমিন, পাবনা উপজেলা কৃষকদলের নেতা মো. রবিউল ইসলাম, দিনাজপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজা, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসভাপতি গোলাম রাব্বানী সোহেল ও ফরিদপুর জেলা বিএনপির  যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পলাশ।

উল্লেখ্য, সরকার পতনের এক দফা দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে আজ (বুধবার) রাজধানীতে সমাবেশ করবে বিএনপিসহ দলটির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে যুক্ত থাকা ৩৬টি রাজনৈতিক দল। 

আন্দোলনে যুক্ত থাকা নেতারা বলছেন, কালকের সমাবেশ থেকে সরকারের পদত্যাগের দাবিতে সর্বাত্মক আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে না। গতানুগতিক ১ অথবা ২ দিনের কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। কিন্তু সরকারকে পদত্যাগ করতে একটি আল্টিমেটাম দেওয়া হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে সরকারকে পদত্যাগ করতে সময় বেঁধে না দেওয়ার কৌশল নেওয়া হয়েছে।  

এই নেতা আরও বলেন, সমাবেশ থেকে চূড়ান্ত আন্দোলনের ঘোষণা না এলেও সরকারকে একটা আল্টিমেটাম দেওয়ার আলোচনা আছে। সেই আল্টিমেটামের ঘোষণা দেওয়া এমন হতে পারে যে- আগামী কয়েকদিনের মধ্যে সরকার পদত্যাগ না করলে আমরা সর্বাত্মক আন্দোলনে যাবো। আগামী ২৭-২৮ অক্টোবরের মধ্যে সেই সর্বাত্মক আন্দোলন শুরু হবে।  

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একজন সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, পূজার মধ্যে কোনো কর্মসূচি থাকবে না। পূজার পরে একটি সমাবেশের কর্মসূচি দিতে পারে। সেই সমাবেশ থেকে সর্বাত্মক আন্দোলনের ঘোষণা আসবে।   

আমাদেরকাগজ/এমটি