নিজস্ব প্রতিবেদক: খালেদা জিয়াকে বিদেশে যেতে হলে দেশের প্রচলিত আইন, সংবিধান ও ফৌজদারি কার্যবিধি মেনে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যেতে হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আজ রোববার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ, ঢাকার পার্শ্ববর্তী সকল জেলা মহানগর এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের যৌথ সভায় তিনি এ কথা বলেন।
খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে যেসব সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে তা মানবিকতার দৃষ্টান্তে পৃথিবীতে বিরল।’
তিনি বলেন, ‘যারা জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার হত্যার পরিকল্পনাকারী, তাদের প্রতি আওয়ামী লীগের উচিত ছিল তেমন ব্যবহার দেওয়া।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বিদেশে থেকেও মূল্যবান কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। সেসব বিষয়ে আলোচনা করতেই এই সভা। আগামী ৪ অক্টোবর দুপুরে তিনি দেশে ফিরবেন। রাস্তা বন্ধ করে কিংবা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগের কোনো কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রী পছন্দ করেন না। এজন্য তাকে কোনো সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছে না।’
অক্টোবরে মাসব্যাপী দলের কর্মসূচি ঘোষণা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জানান, ‘৩ অক্টোবর সাভারের আমিন বাজারে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ করবে আওয়ামী লীগ। ৭ অক্টোবর বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালটি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এ উপলক্ষে ওইদিন সেখানে জনসভা হবে। ১০ অক্টোবর পদ্মাসেতুর রেলসেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। মাওয়াপ্রান্তে সুধী সমাবেশ হবে। ভাঙ্গায় জনসভার প্রস্তাব আছে। ২৩ অক্টোবর আগারগাঁও-মতিঝিল মেট্রোরেল উদ্বোধন উপলক্ষে শাপলা চত্বরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জনসভা এবং ২৮ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু কর্ণফুলী টানেলের উদ্বোধন উপলক্ষে সেখানে সুধী সমাবেশ হবে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে আ স ম আব্দুর রব উদাহরণ হতে পারে না। হাজী সেলিমও কিন্তু আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ পাননি।’
আমাদেরকাগজ/এইচএম





















