নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনের রূপরেখা প্রণয়নের লক্ষ্যে গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে সংলাপ করেছে বিএনপি। সংলাপে সরকার পতনে যুগপৎ আন্দোলনে একমত হয়েছে দুই দল।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে সংলাপ শেষে এ কথা বলেন ফখরুল।
মির্জা ফখরুল বলেন, 'এ অনির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় আন্দোলন হবে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির আন্দোলন। এর মাধ্যমে আমরা একটি গণআন্দোলন গড়ে তুলব। আপাতত সরকার পতনের লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টি করা হবে। পরে সমমনা দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে এ আন্দোলনকে বেগবান করব। জনগণের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এদের (আওয়ামী লীগ) পরাজিত করতে সক্ষম হবো।'
বিএনপির মহাসচিব বলেন, 'জনগণের কাছে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে ফ্যাসিস্ট সরকার হটানোর আন্দোলনে অংশ নেওয়া দলগুলোর কাছে নির্বাচনের পর একটি জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছি। এর মাধ্যমে রাষ্ট্র মেরামতের সূচনা করা যেতে পারে। এ লক্ষ্যে আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলেছি। তারই অংশ হিসেবে আজ গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।'
তিনি বলেন, '১৯৭১ সালে স্বাধীনতার যে মূল লক্ষ্য ছিল, আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেটাকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে সরকার। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের জনগণ যে রাষ্ট্র গঠন করেছিল, সে রাষ্ট্র তাদের হাতে নেই। কর্তৃত্ববাদী সরকার সব স্বপ্নকে ভেঙে চুরমার করেছে। রাষ্ট্রকে এখন পুরোপুরিভাবে মেরামত করা প্রয়োজন।'
এ সময় মির্জা ফখরুলের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
সংলাপে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতাদের মধ্যে ছিলেন জেএসডির আ স ম আবদুর রব, শহিদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, শহীদুল্লাহ কায়সার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, আকবর খান, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, আবুল হাসান রুবেল, গণঅধিকার পরিষদের ফারুক হাসান, ভাসানী অনুসারী পরিষদের শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সৈয়দ হাসিব উদ্দিন হোসেন, ইমরান ইমন প্রমুখ।
আমাদের কাগজ/টিআর





















