ডেস্ক রিপোর্ট।।
মনোনয়নকে কেন্দ্র করে জাতীয় পার্টির দ্বিধাবিভক্তিতে নিজ দূর্গ রংপুরে অস্তিত্ব সংকটে দলটি। দেবর-ভাবীর পাল্টাপাল্টি অবস্থানে শংকিত দলের তৃণমূল। বিশ্লেষকরা বলছেন, ঐক্যে পৌছাতে না পারলে প্রভাব পড়বে উপ নির্বাচনে।
১৯৮৬ থেকে ২০১৮ সাল, রংপুর সদর আসনটি ছিলো জাতীয় পার্টির দূর্গ। মনোনয়ন নিয়ে আসনটিতে কখনও দ্বন্দ্ব না থাকলেও সাবেক সামরিক শাসক এরশাদের মৃত্যুর পর প্রার্থীতা ঘিরে কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে দলটি।
এরই মধ্যে দলীয় চেয়ারম্যানের পদ নিয়ে জিএম কাদের ও রওশন এরশাদের পাল্টাপাল্টি অবস্থান শংকায় ফেলেছে তৃনমূল জাতীয় পার্টিকে। তবে তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা বলছেন, জি এম কাদেরের নেতৃত্বেই রংপুর সদর আসনের নির্বাচনে অংশ নেবে জাতীয় পার্টি।
রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম বলেন, 'হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের রক্ত জিএম কাদের। জিএম কাদের রংপুরের বাসিন্দা। আমরা রংপুরবাসী তথা জাতীয় পার্টি জিএম কাদেরের সাথে আছি।আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি জিএম কাদেরের নেতৃত্বেই রংপুরে নির্বাচন করবে। এবং লাঙ্গল মার্কা নিয়েই নির্বাচন করবে।'
একই মত প্রকাশ করলেন রংপুর মহানগর জাতীয় পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফ। তিনি বলেন, 'জিএম কাদেরের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি এগিয়ে যাবে। এখানে রওশন এরশাদের কোন অস্তিত্ব নাই। দেশব্যাপী নাই, রংপুর বিভাগেও নাই। এমনকি রংপুরের এই আসনেও নাই।'
তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এখনই সুসংগঠিত হতে না পারলে সংকটে পরবে দলটি ,যার প্রভাব পড়বে আসন্ন উপ নির্বাচনে । এ প্রসঙ্গে শিক্ষাবিদ ফখরুল আনাম বেঞ্জু বলেন, 'এই দলটি যদি পর্যায়ক্রমে তৃণমূলের নেতাদেরকে মূল্যায়ণ করতে তাহলে এ পরিস্থিতি দাঁড়াতো না। একদিকে তার পরিবার অন্যদিকে তার খুব কাছাকাছি থাকা মানুষ। জাতীয় পার্টি আজ যদি এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তবে দুটা না চারটা পাঁচটা জাতীয় পার্টির সৃষ্টি হবে।'
১৪ই জুলাই এরশাদের মৃত্যুর পর রংপুর সদর আসনের উপনির্বাচনের মনোনয়ন দেয়াকে কেন্দ্র করে কোন্দল শুরু হয় দলটিতে।






















