নিজস্ব প্রতিবেদক
সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মারধরের মামলায় কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাদ আহম্মেদকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার বাবু এলাকার বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক ও জামায়াত নেতা আবু তালেব রওশনের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম ও ইন্সপেক্টর আশরাফুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল তাকে গ্রেফতার করে কুষ্টিয়ায় নিয়ে আসে।
সাদ সদর উপজেলার পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের ডাবিরাভিটা গ্রামের মওলা মণ্ডলের ছেলে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ৬ ডিসেম্বর সংবাদ সংগ্রহকালে দীপ্ত টিভির প্রতিনিধি দেবেশ চন্দ্র সরকার ও তার ভিডিওম্যানকে মারধর করে সাদ ও তার সমর্থকরা। এ ঘটনায় দেবেশ বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় পুলিশ সাদকে গ্রেফতার করেছে। এছাড়া সাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় সহযোগিতাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, সাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, জমি জালিয়াতি অস্ত্র ব্যবসাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। তার বেশ কয়েকজন সহযোগী এর আগে মাদক ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার হয়। সর্বশেষ বিএনপি অফিস ও সাংবাদিক পিটিয়ে আলোচনায় আসে সাদসহ তার সহযোগীরা।
পাটিকাবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সফর আলী জানান, আবু তালেব রওশনের বাড়ি পাটিকাবাড়িতে। তিনি জামায়াতের জেলা পর্যায়ের নেতা। চাকরি সূত্রে তিনি আলমডাঙ্গাতে থাকেন।
কুষ্টিয়া গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর আশরাফুল ইসলাম আজ মঙ্গলবার সকালে জানান, সাংবাদিক নির্যাতনের মামলায় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাদকে আলমডাঙ্গা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি একজন শিক্ষকের বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে।





















