জাতীয় ৪ আগস্ট, ২০১৯ ০৫:৪৩

প্রতিদিন ২ লাখ ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট আমদানি হলেও কাটেনি সংকট

ইসতিয়াক ইসতি।। 

এডিস মশা প্রাদুর্ভাব হঠাৎ করেই সারাদেশে বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ডেঙ্গু শনাক্তকরণের কিট সংকট সৃষ্টি হয়েছে। যা অনেকেই বলছে কৃত্রিম সংকট। অন্যদিকে ওষুধ প্রশাসন দাবি করছে, দেশে প্রতিদিন প্রতিদিন দুই লাখ পিস ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিট আমদানি করা হচ্ছে। যার ফলে কেটে যেতে শুরু করেছে সংকট।

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর থেকে জানানো হয়েছে, সময়োচিত ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে ডেঙ্গু শনাক্তকরণ কিটের সাময়িক সংকট হলেও তা কেটে যাচ্ছে। বাজারে ডেঙ্গু শনাক্তকরণের কিট সহজলভ্য ও সরবরাহ নিশ্চিতের বিশেষ নজরদারি করা হচ্ছে। প্রতিদিন আসছে ২ লক্ষ কিট।

নির্ভর যোগ্য সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, শনিবার বিভিন্ন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে এক লাখ ৮০ হাজার ৫০টি কিট আমদানি করেছে বাংলাদেশ।  

কিন্তু সরজমিন তথ্য বলছে ভিন্ন কথা। রাজধানীর একাধিক এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, ডেঙ্গু পরীক্ষার কিটের সংকট রয়েছে এবং ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা মূল্যের কিটগুলো বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায়। যা সরকার নির্ধারিত দামের দ্বিগুণ মূল্যে চেয়ে বেশি।

রাজধানীর মিরপুরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সরকারি একটি সংস্থার একজন কর্মকর্তার সাথে। তিনি তার সন্তাদের ডেঙ্গু পরিক্ষা করাতে এসেছিলেন। কিন্তু করাতে পারেনি।

তিনি জানান, মিরপুরে পপুলারের দুটি শাখায় একটিতে গিয়েও তিনি শিশুটির ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে পারেননি।  পপুলার তাঁকে বলেছে, তাদের কাছে ডেঙ্গু পরীক্ষার উপকরণ বা কিট নেই। 

বাজারে কিট সংকটের বিষয়ে এককাধিক সংশ্নিষ্টদের সঙ্গে কথা বললেও এবিষয়ে সরাসরি কেউ কথা না রাজি না হলেও। নাম না প্রকাশের শর্তে একজন জানান, বাজারে যে কিট সংকট আছে। কিন্তু যে পরিমাণ দেখানো হচ্ছে তা আসলে একটি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারসাজী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (সংক্রামক ব্যাধি) অধ্যাপক ডা. সানিয়া তাহমিনা সাথে এবিষয়ে কথা হলে তিনি জানান, সব সরকারি হাসপাতালে আনুপাতিক হারে কিট পাঠানো হয়েছে। নতুন করে কিট আমদানি করা হচ্ছে। দু-একদিনের মধ্যেই সেই কিট এসে পড়বে। তখন আর সংকট থাকবে না।