জাতীয় ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৭:০৮

ডাক বিভাগ শক্তিশালী হবে

বর্তমান ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জাব্বার বাংলাদেশের আধুনিকায়ন, ডিজিটালাইজেশন ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরন্তন কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের ডাক বিভাগকে ঢেলে সাজানো ও ডিজিটালাইজেশন করার মাধ্যমে তিনি পাল্টে দিতে সক্ষম হয়েছেন দেশের মানুষের প্রযুক্তি সংক্রান্ত গতানুগতিক ধারণাগুলোকে। ফলে এখন দেশের জনসাধারণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে দেশের ডাক বিভাগ।

এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী গণমাধ্যমের জন্য লিখেছেন, ডাক বিভাগ সম্পর্কে মানুষের যে নেতিবাচক ধারণা ছিল; যুগোপযোগী কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন, বাস্তবায়ন এবং যথাযথ তদারকির মাধ্যমে সে ধারণা পাল্টে দেওয়া হয়েছে। এখনও সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে জনগণের ধারণাকে বদলে আধুনিক এবং ডিজিটাল ডাক বিভাগ গঠনে। ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল ডাকঘর দেখতে চাই। আমি মনে করি, আমাদের সে সক্ষমতা আছে। ডাক বিভাগের বিদ্যমান জনবল দিয়েই তা সম্ভব। এখন আমাদের এগিয়ে যাওয়ার সময়। সবার সম্মিলিত উদ্যোগে ডাক বিভাগ লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবেই। ডাক বিভাগের যে নেটওয়ার্ক আছে, তা কাজে লাগাতে পারলে আগামী ১০ বছরেও প্রতিষ্ঠানটিকে কেউ পেছনে ফেলতে পারবে না বরং এটি লাভজনক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হবে। ডাক বিভাগের বর্তমান যে জনবল আছে, তা দিয়েই ডিজিটাল ডাকঘর গড়ে তোলা সম্ভব। 

দেশের প্রতিটি বাড়ি পৌঁছানোর সক্ষমতা ডাক অধিদপ্তরের আছে। এই সক্ষমতা ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগাতে চাই। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক-নির্দেশনায় দেশের প্রতিটি ডাকঘরকে ডিজিটাল ডাকঘর হিসেবে দেশের তৃণমূল জনগোষ্ঠীকে ডিজিটাল সরকারি সেবা প্রদানে সক্ষম করে গড়ে তোলা হচ্ছে। ডাকঘর সাধারণ মানুষের জীবনযাপনে ডিজিটাল রূপান্তর ঘটাবে। ডাকঘরকে ডিজিটাল ডাকঘরে রূপান্তর করে শহরের ডিজিটাল সেবাগুলো বিশেষ করে জনগণের জন্য সরকারের ৯০০ ডিজিটাল সেবা জনগণ ঘরে বসে পাবেন; ডাকঘর থেকেও দেওয়া হবে।

১৪ তলাবিশিষ্ট ডাক অধিদপ্তরের নতুন সদর দপ্তর ডাক বিভাগের আধুনিকীকরণের পদক্ষেপগুলোর মধ্যে একটি। এ ছাড়াও পল্লী এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নে ৫৯০টি ডাকঘরের নতুন ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে এবং ইতিমধ্যে ১ হাজার ২৭৩টি ডাকঘরের মেরামত কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৪৫০টি ডাকঘরে ই-কমার্স সেবা চালু করা হয়েছে। এ ছাড়াও ১ হাজার গ্রাম ই-পোস্ট সেন্টার স্থাপন করে ডিজিটাল সেবার আওতায় আনা হবে। ৫ হাজার ডাকঘরে ইএমটিএস সেবা সম্প্রসারণ ও এজেন্টভিত্তিক ইএমটিএস সার্ভিস সম্প্রসারণ করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।