????????? ১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ০৫:০২

কিছু শিক্ষকের লালসার বিস্তার মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থাটাকেই প্রশ্নের সম্মুখীন করেছে: সায়েম খান

মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার কোন বিষেদাগার নাই। বরং এক ধরনের সমীহ আছে। মাদ্রাসা শিক্ষার কারিকুলামে পড়া শিক্ষার্থী যখন আমার সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি থেকে শুরু করে আরো অনেক ক্ষেত্রে অধিতকর ভালো করে তখন আমার কাছে সে বা তারা এক একজন সংগ্রামী যোদ্ধা। মাদ্রাসা শিক্ষার কারিকুলামের বাইরেও অতিরিক্ত অংক, বিজ্ঞান, ইংরেজি পড়ে যখন আমার মতো সাধারণ কারিকুলামের শিক্ষার্থীর চেয়ে ভাল করে তখন আমি তাদের মধ্যে জীবনীশক্তির অদম্য স্পৃহা দেখি। কিন্তু প্রশ্ন হল কয়জন ছাত্র উঠে আসতে পারে। আমাদের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থায় যে শিক্ষার্থীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়, এটা কেমন যেন ওপেন সিক্রেট। সব মাদ্রাসা বা মাদ্রাসার সকল শিক্ষকের মধ্যে অল্প শিক্ষকের এই ধরনের লালসার বিস্তার এই শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে প্রশ্নের সম্মুখীন করছে। এটা হচ্ছে খুবই কম। কিন্তু মাদ্রাসায় তো এটা হওয়ার কথাই ছিল না বরং প্রতিরোধের দরকার ছিল। আবার মাদ্রাসায় বালক শিশুদেরই বেশি যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয়। এর ফলে শিক্ষার্থীদের খুব অল্প বয়সে একটা ট্রমার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

কওমী মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে কতিপয় জায়গায় কোমলমতি শিশুদের যৌন হয়রানি সর্বজনবিদিত। এসব নিয়ে উপন্যাস ও চলচ্চিত্র আছে। সমাজতাত্ত্বিক, মনোবিজ্ঞানীদের এসব নিয়ে ভাবা উচিত। দ্রুত হয়তো এর সমাধান হবে না কিন্তু এসব কমিয়ে আনার ব্যবস্থা কি? এটা নিয়ে ভাবা সময়ের দাবী!

সায়েম খান
রাজনৈতিক কর্মী।