???? ৩ নভেম্বর, ২০১৯ ০৬:৪৮

কুড়িগ্রামে নদী ভাঙ্গনে চলে গেছে ৩০০ একর জমি

ডেস্ক রিপোর্ট ।।

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙনে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বসতবাড়িসহ প্রায় তিনশর অধিক আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। এদিকে তিন কিলোমিটার ভাঙনে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সম্প্রতি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ভাঙনকবলিত ৬০ মিটার স্থানে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে।

এ নিয়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি ওই স্থানের পাশেই দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। বরাদ্দ না থাকায় ভাঙনরোধে কিছুই করার নেই বলে জানান পাউবো কর্তৃপক্ষ।  

রবিবার দুপুরে সরেজমিন উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের নয়াদাড়া, কামারটারী, পালের ভিটা গিয়ে দেখা যায় ব্রহ্মপূত্র নদের ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষজন জানান, গত ক'মাসে ভাঙনকবলিত প্রায় ৩ কিলোমিটারব্যাপী স্থানে শতাধিক বসতবাড়ি ও কয়েক শ একর আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নিতে পাউবো কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড তিন কিলোমিটার ভাঙনে ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে মাত্র ৬০ মিটার জায়গায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করেন। কিন্তু সম্প্রতি পাউবোর ওই ডাম্পিং করা স্থানের পাশেই নতুন করে ফের ভাঙন শুরু হলে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে বসতবাড়িসহ আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে যায়।

হাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন বলেন, যেভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে এত দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা না নিলে ওয়াপদা বাঁধসহ হাতিয়া ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে চলে যাবে। উলিপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, ৩ কিলোমিটার ভাঙনে ৬০ মিটার জায়গায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়েছে। পরবর্তীতে ৬০০ মিটারের টেন্ডার গৃহীত হয়েছে। অনুমোদন হলেই কাজ শুরু হবে।