জাতীয় ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১২:২০

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে বাস চলাচল শুরু 

আমাদের কাগজ ডেস্ক : এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যাত্রী সুবিধাত্রে শুরু হয়েছে বাস চলাচল। আর এই উদ্দেশ্যপ্রনোদিত কাজে ব্যাবহার হচ্ছে  রাষ্ট্রায়ত্ত পরিবহন সংস্থা বিআরটিসির বাস। প্রাথমিক ভাবে সর্বমোট আটটি বাস দিয়ে এ যাত্রীসেবা শুরু হয়েছে।

আজ (সোমবার) বেলা ১১টায় রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে উদ্বোধন শেষে বাস চলাচল শুরু হয়।

বাস চলাচলের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী। সঙ্গে ছিলেন বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম। উদ্বোধনের পর বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে প্রথম বাস উত্তরা জসীমউদ্‌দীন রোডের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে বিআরটিসি বাস চলবে অনেকটা ‘শাটল’ সার্ভিসের মতো। অর্থাৎ শুধু উড়ালসড়ককে কেন্দ্র করে। ফার্মগেটের খেজুর বাগানের কাছ থেকে বাসগুলো ছাড়বে। এরপর উড়ালসড়ক দিয়ে উত্তরার জসীমউদ্‌দীন রোড হয়ে খেজুর বাগান এলাকায় ফিরে আসবে। 

এভাবে সকাল ৭টা থেকে সারাদিন চলবে বাসগুলো। রাত পর্যন্ত যতক্ষণ যাত্রী পাওয়া যাবে, ততক্ষণই মিলবে বিআরটিসির বাস।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে চলতে বাসপ্রতি ১৬০ টাকা টোল দিতে হলেও বাসের যাত্রীদের আপাতত বাড়তি ভাড়া দিতে হবে না। 

এছাড়া ঢাকার অন্যান্য বাসের মতো কিলোমিটারে ২ টাকা ৪৫ পয়সা ভাড়া দিতে হবে। এ পথে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা। তবে উত্তরার জসিম উদ্‌দীন মোড় পর্যন্ত গেলে দিতে হবে ৪০ টাকা।

গত ২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাওলা থেকে ফার্মগেট অংশ উদ্বোধন করেন। পরদিন থেকে চলছে যানবাহন। এই পথে সময় লাগছে মাত্র ১২ থেকে ১৩ মিনিট। কিন্ত এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার পর র‍্যাম্পের মুখে যানজটে পড়তে হচ্ছে।

এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশার চলাচলের অনুমতি না থাকায় সাধারণ যাত্রীরা এই উড়াল মহাসড়কের সুবিধা পাচ্ছেন না।

শহরের যানজট নিরসনের জন্য প্রকল্প হাতে নেওয়ার এক দশকেরও বেশি সময় পরে এটির উদ্বোধন হয়েছে। পুরো উড়ালসড়কে ৩১টি স্থান দিয়ে যানবাহন ওঠানামা (র‌্যাম্প) করার ব্যবস্থা রয়েছে। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয় আট হাজার ৯৪০ কোটি টাকা। 


টোল কত

চার ক্যাটাগরিতে চলাচল করা যানবাহনের কাছ থেকে টোল আদায় করা হবে। সর্বনিম্ন টোল ৮০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক্যাটাগরি- ১ : কার, ট্যাক্সি, জিপ, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল, মাইক্রোবাস (১৬ সিটের কম) এবং হালকা ট্রাক (৩ টনের কম) ৮০ টাকা।

ক্যাটাগরি- ২ : মাঝারি ট্রাক (৬ চাকা পর্যন্ত) ৩২০ টাকা।

ক্যাটাগরি- ৩ : ট্রাক (৬ চাকার বেশি) ৪০০ টাকা।

ক্যাটাগরি- ৪ : সব ধরনের বাস (১৬ সিট বা তার বেশি) ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ টোলহার কার্যকর হবে উদ্বোধন হওয়ার দিন থেকেই। নির্ধারিত অংশের যেকোনো স্থানে ওঠা-নামার ক্ষেত্রে এ টোলহার প্রযোজ্য হবে।

আমাদেরকাগজ/এমটি