???????? ??? ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০৩:২৬

দেশের উন্নয়ন আরও বেগবান হত যদি বরাদ্দের সব টাকা ব্যবহার করত: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট।। 

গত দশ বছরে উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ করা সব টাকার সঠিক ব্যবহার হলে, দেশ আরও এগিয়ে যেত।অব্যবহৃত ওই টাকার খোঁজ করা হচ্ছে দুর্নীতিবাজদের এমন হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিউ ইর্য়কে ম্যারিয়ট মারকুইজ হোটেলে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে নিউইয়র্কের হোটেল ম্যারিয়ট মারকুইজে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ।

প্রায় ১ ঘন্টার বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়নে প্রবাসীদের ভূমিকা, বঙ্গবন্ধুর দেশ পরিচালনা, বিএনপির রাজনীতি নিয়ে কথা বলেন।

বিএনপির সমালোচনা করে সরকার প্রধান বলেন, নিজেদের আখের গোছাতে নির্বাচনকে কাজে লাগিয়েছে বিএনপি। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়া নয়, প্রার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেয়ারই তাদের উদ্দেশ্য ছিল। তারা টাকা নিয়ে প্রার্থীতা দেন। একজন লন্ডনে বসে বাণিজ্য করে, আরেকজন বাংলাদেশে। ৩০০ আসনের বিপরীতে তাদের প্রার্থীই ছিলো প্রায় ৯০০ জন। তাহলে তারা নির্বাচনটা করলোই বা কিভাবে? 

বহুল আলোচিত ও আশা জাগানিয়া দুর্নীতি বিরোধী অভিযান প্রসঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কার আয়-উপার্জন কত? সে কীভাবে জীবন যাপন করে? সেগুলো আমাদের বের করতে হবে। তাহলে আমরা সমাজ থেকে এই দুর্নীতি ব্যাধি থেকে আমাদের সমাজকে রক্ষা করতে পারবো। আগামী প্রজন্মকে রক্ষা করতে পারবো।সমাজে বৈষম্য তৈরী হয়েছে, সৎ পথে চলা মানুষরা প্রশ্নের মুখে পড়ছে। 
 
দেশের উন্নয়ন আরও বেগবান হত যদি বরাদ্দের সব টাকা ব্যবহার করত,উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ার করেন সেই টাকার খোঁজ করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান সেটাও অব্যহত থাকবে। এই মাদক একটা পরিবার ধ্বংস করে, একটা দেশ ধ্বংস করে। এর সঙ্গে কারা আছে সেটাও আমরা খুঁজে বের করবো।’
 
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, মাদক দূর করে বাংলাদেশের মানুষকে আমরা উন্নত জীবন দিতে চাই। আমাদের দেশে শুধু না আন্তর্জাতিক পর্যায়েও জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস এটা একটা সমস্যা। আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছি জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস, মাদক এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে।’

অনুষ্ঠানে এবারই প্রথা ভেঙ্গে সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। নিজেদের দ্বন্দে কমিটির জায়গা হয়নি সভা মঞ্চে। স্থানীয় নেতাদের অনেকেই বলছেন প্রায় এক দশকের যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হতে পারে।