???? ৫ ডিসেম্বর, ২০২০ ১১:১৪

মাটির উর্বরতা রক্ষায় গবেষণার বিকল্প নেই : শ ম রেজাউল

নিজস্ব প্রতিবেদক

মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী রেজাউল করিম বলেছেন, মাটির উর্বরতা রক্ষা ও প্রয়োজন উপযোগী ব্যবহার নিশ্চিত করতে গবেষণার বিকল্প নেই। এজন্য বিজ্ঞান মনস্ক চিন্তা ও গবেষণালব্ধ জ্ঞান দিয়ে আমাদের নতুন কিছু সৃষ্টি করতে হবে। শুধু কৃত্রিম সার ব্যবহার করে বছরে একটার পর একটা ফসল উৎপাদনের দিকে ধাবিত হলে হবে না।

শনিবার (০৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস ২০২০ উপলক্ষে এক সেমিনারে এসব কথা বলে রেজাউল করিম।

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, জাতিসংঘের খাদ্য কৃষি সংস্থা (এফএও), সয়েল সায়েন্স সোসাইটি অব বাংলাদেশ এবং প্র্যাকটিকাল এ্যাকশন বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায়শোকেসিং এবং সয়েল কেয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২০সেমিনার সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান আয়োজন করে কৃষি মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মৎস্য সম্পদের ব্যাপক উৎপাদনের ক্ষেত্রে পানির নিচে থাকা মাটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সে মাটিতে পরিপূর্ণ যথাযথ উপাদান না থাকলে তা সমুদ্র, জলাশয় বা নদী হোক মৎস্য সম্পদ বা শৈবালের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হবে।

কাজেই মাটির জৈবিক অবস্থা টিকিয়ে রাখার প্রয়োজনীয়তা কৃষি, মৎস্য অন্যান্য ক্ষেত্রে রয়েছে। প্রাণিসম্পদের সাথেও মাটির উর্বরতা এবং উপযোগিতা খুবই প্রণিধানযোগ্য। মাটির উর্বরতা বা জৈবিক অবস্থা ভালো না থাকলে ঘাস বা অন্যান্য প্রাণিখাদ্য উৎপাদন ভালো হবে না। যার কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে প্রাণিসম্পদের যে ব্যাপক বিস্তার হয়েছে সেটা স্তিমিত হয়ে যাবে। তাই ব্যাপক পরিসরে মাটি গবেষণার প্রয়োজনীয়তা আছে।

বাংলাদেশ প্রাকৃতিক সম্পদের অসাধারণ একটি ভান্ডার উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, ভান্ডার রক্ষা করতে হলে আমাদের মৌলিক জায়গায় ফিরে যেতে হবে। সে জায়গা হলো আমাদের জলবায়ু, পানি মাটি। কোন মাটিতে কোন ফসল উৎপাদন করা যায়, কোন মাটিতে কোন সার ব্যবহার করলে মাটির জৈবিক অবস্থান ধ্বংস হয়ে যাবে বা কোন মাটিকে কিভাবে ব্যবহার করলে তার স্বাভাবিকতা নষ্ট হবে না কিন্তু ব্যবহার উপযোগী থাকবে- বিষয়গুলোতে ব্যাপকভাবে গবেষণা করতে হবে। সম্মিলিতভাবে আমাদের মাটি পানি রক্ষা করতে হবে।