অর্থ ও বাণিজ্য ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০৫:৪২

বিকল্প দেশের পেঁয়াজ আমদানি শুরু

ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের পর গতকাল সোমবার ও আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে ২৫৮ টনের চালান এসে পৌঁছেছে। এর আগে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে দুটি চালানে ৫৭ মেট্রিক টন পেঁয়াজ খালাস হয়েছিল। ভারত রপ্তানি বন্ধের পর মোট ৩১৫ টনের চালান আমদানি হয়েছে বিকল্প দেশ থেকে।

বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, পেঁয়াজের চালান খালাসে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। দুই কনটেইনারের চালান খালাস নেওয়া হয়েছে। বাকি চালান আমদানিকারকেরা খালাসের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

বন্দরে আসা পেঁয়াজের ২৫৮ টনের চালানের মধ্যে ১৭০ টন খালাসের ছাড়পত্র নিয়েছেন দুজন আমদানিকারক। পেঁয়াজের চালান খালাসে ছাড়পত্রের আবেদন করার পর দ্রুতই তা দেওয়া হচ্ছে। পেঁয়াজের প্রথম চালানটি এনেছে মিয়ানমারের থেকে কায়েল স্টোর। ও দ্বিতীয় চালানটি পাকিস্তান থেকে গ্রিন ট্রেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান ১১৬ টন পেঁয়াজ আমদানি করেছে বলে জানায়, উদ্ভিদ সংঘ নিরোধ কেন্দ্র

ভারত রপ্তানি বন্ধের পর বিকল্প দেশ হিসেবে মিয়ানমার থেকে প্রথম চালান আমদানি হয়েছিল। গত ১৮ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার থেকে ট্রলারে করে ৩০ টনের পেঁয়াজের চালান আমদানি হয়। এর গত শনিবার ২৭ টনের আরেকটি চালান খালাস দেওয়া হয়।

খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিঞা মার্কেট কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, পাইকারি বাজারে এখন কেজিপ্রতি ভারতীয় পেঁয়াজ ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিয়ানমার থেকে যে চালানটি এসেছে তা প্রায় একই দরে বেচাকেনা হয়েছে। বিকল্প দেশ থেকে আমদানি বাড়লে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন তিনি।