অর্থ ও বাণিজ্য ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০৭:৪৫

তিন মাস ঋণ পরিশোধের সময় বাড়লো

করোনাভাইরাসের কারণে ব্যাংকের ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পরিশোধের বিশেষ সুবিধার সময় আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে চলতি বছরের শেষ দিন পর্যন্ত কোনও ঋণগ্রহীতা ঋণ শোধ না করলেও খেলাপি করা যাবে না

আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ ‘ঋণ শ্রেণিকরণ’ সংক্রান্ত এক সার্কুলার জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকে পাঠিয়েছে।

আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনও ঋণগ্রহীতা ঋণ শোধ না করলেও ঋণের শ্রেণিমানে কোনও পরিবর্তন আনা যাবে না।  ফলে বর্তমানে কোনও ঋণগ্রহীতা যদি ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হন, তাহলে তাকে খেলাপি করা যাবে না। তবে যদি কোনও খেলাপি ঋণগ্রহীতা এই সময়ের মধ্যে ঋণ শোধ করেন, তাকে নিয়মিত ঋণগ্রহীতা হিসেবে চিহ্নিত করা যাবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক উল্লেখ করেছে, চল‌তি বছ‌রের ১ জানুয়া‌রি বিদ্যমান মেয়াদি (স্বল্প মেয়াদি কৃষি ঋণ ও ক্ষুদ্র ঋণসহ) ঋণ বা বিনিয়োগের বিপরীতে চল‌তি বছ‌রের ১ জানুয়া‌রি হতে ৩১ ডিসেম্বর সময়কালীন প্রদেয় কিস্তিগুলো ডিফার্ড হিসেবে বিবেচিত হবে। এক্ষেত্রে আগামী বছরের জানুয়ারি  থেকে সংশ্লিষ্ট ঋণ বা বিনিয়োগের কিস্তির পরিমাণ ও সংখ্যা পুনর্নির্ধারিত হবে। পুনর্নির্ধারণকালে জানুয়ারি থে‌কে ডিসেম্বর  পর্যন্ত যত সংখ্যক কিস্তি  প্রদেয় ছিল, তার সমসংখ্যক কিস্তির সংখ্যা বাড়বে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে আরও  বলা হয়েছে, ১ জানুয়ারি বিদ্যমান, চলমান ও তলবি ঋণ বা বিনিয়োগের মেয়াদ বা সমন্বয়ের তারিখ বিদ্যমান মেয়াদ হতে ৩১ ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত বাড়বে। সুবিধা চলাকালীন ঋণ বা বিনিয়োগের ওপর সুদ বা মুনাফার হিসাবায়নের ক্ষেত্রে এতদ্বসংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালা বলবৎ থাকবে। তবে উক্ত সময়ে ঋণ বা বিনিয়োগের ওপর কোনোরূপ দণ্ড সুদ বা অতিরিক্ত ফি আরোপ করা যাবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, কোভিড-১৯ এর কারণে অর্থনীতির অধিকাংশ খাতই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় অনেক শিল্প, সেবা ও ব্যবসা খাত তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না।