সোশ্যাল মিডিয়া ২২ নভেম্বর, ২০১৯ ১০:৫১

বইমেলায় ‘যৌনদেবীর অভিশপ্ত জীবন’ নিয়ে আসবেন পীর হাবিব

ডেস্ক রিপোর্ট।।

দেশের বর্তমান অবস্থা ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশিষ্ট কলামিস্ট পীর হাবিবুর রহমান তার ফেসবুক আইডিতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্ট্যাটাস শেয়ার করেন। অনেক সময় তার স্ট্যাটাস নিয়ে অনেক আলোচনা ও সমালোচনা হয়ে থাকে। তিনি বইমেলায় নিজের লেখা বই প্রকাশ করে থাকেন। গত বইমেলায় তার লেখা 'জেনারেলের কালো সুন্দরী' উপন্যাসটি প্রকাশ পায়। এবার আসন্ন বইমেলায় তার লেখা 'যৌনদেবীর অভিশপ্ত জীবন' নামের একটি উপন্যাস প্রকাশ হবে জানিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। 'আমাদের কাগজ' পাঠকদের জন্য স্ট্যাস্টি হুবুহু তুলে ধরা হল। 

'জেনারেলের কালো সুন্দরীর পর এবার বইমেলায় আমার লেখা উপন্যাস 'যৌনদেবীর অভিশপ্ত জীবন'

প্রকাশকরা প্রস্তুতিতে, একুশের বইমেলার, দড়জায় কড়া নেড়েছে, একপক্ষ আমাকে কিছু অগ্রীমও দিয়ে গেছেন। অন্যপ্রকাশের বন্ধু মাজহার তাগিদ দিয়ে লেখান। প্রতিবার মেলা শুরু হলে পান্ডুলিপি দেই। অতৃপ্তি থেকে যায়। এবার নির্মোহ ইতিহাস নির্ভর বই ছাড়াও রাজনৈতিক কলাম, সেই সাথে সমাজে চলমান জীবনে নিবিরভাবে দেখা ও গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করা নষ্ট সমাজের নষ্ট নারী পুরুষের কুৎসিত কদর্য চেহারা তুলে আনছি উপন্যাসে। এবার গেলো মেলার উপন্যাস ছিলো' জেনারেলের কালো সুন্দরী', সত্য ইতিহাস নির্ভর।এবার' যৌনদেবীর অভিশপ্ত জীবন'চলমান সমাজে নিরব ঘাতকের মতোন ছড়ানো অসুস্হতার নির্মোহ সত্য ঘটনা অবলম্বনে। অপেক্ষায় থাকুন।

প্রেক্ষাপট: তোমার সঙ্গে সেই নরনারী চরম বিশ্বাস ঘাতকতা করবে যাকে তুমি সরলভাবে আবেগে অন্ধের মতোন আগ্রাসী প্রেমে বিশ্বাস করেছিলে!তোমাকে সেই প্রতারিত করবে যাকে বিশ্বাসের উচ্চতা থেকে কখনো নামাওনি।বারবার ধাক্ষা খেয়েও, তার অতীত বিশ্লেষন করেও আমলে নিতে পারনি।

তোমাকে যে সরল ভদ্র রক্ষনশীল নির্লোভ সত্যবাদী, বলবে তার কথায় তুমি তাকে অন্ধ বিশ্বাস করোনা, এতে সে যখন প্রতারনা করবে তখন তোমার সব সর্বনাশ হয়ে যাবে। যেখান থেকে তুমি আর উঠে আসতে পারবেনা। তুমি তার চরিত্র তার আচরন বিচরন অভ্যাস নৈতিকতার উপর বিচার বিশ্লেষন করো দেখবে, সে থিয়েটার না করলেও, টিভি পর্দায় না এলেও চতুরতার সাথে নিখুঁত অভিনয় করে যাচ্ছে,এটাই তার চরিত্র।লোভ লাভ ও স্বার্থের হিসেবে তোমার আস্হা অর্জনে নিজের সম্পর্কে এতসব বলেছে।

তোমাকে যে নরনারী স্বামীর অর্থবিত্তের ক্ষমতার মিথ্যা অহংকারে বাস করেও যার সাথে রোজ খাটে একসাথে শোয়, তার সম্পর্কে নোংরা কদর্য অভিযোগ এনে চোখের জল ফেলছে তারর মানে তোমার সহানুভূতি ও সরল মনের অনুভূতিকে ইমোশনাল ব্লাকমেইল করে করুনা চাইছে, তোমাকেই চাইছে।তার মতলব হাসিলের পরিকল্পনা আছে।তা মর্যাদাবোধ নেই।

সে যতোই বলুক সে সৎ মিথ্যা বলেনা সত্য ছাড়া সেটিও তোমাকে মুগ্ধতায় আচ্ছন্ন করে রাখার কূটকৌশল। মাথা নির্ভর বড় হিসেবি। একদিন তার সত্য উদঘাটন হলে তোমার সামনে অন্ধকার নামবে!দেখবে সে এক গলা থেকে আরেক গলায় ঝুলতে ঝুলতে আরেক শয্যা থেকে তোমার শয্যায় চলে এসেছে।

রাস্তায় রাস্তায় দিনরাত ঘুরে, এর ওর দুয়ারে করুনা ভিক্ষে চেয়ে সে তার যে স্বার্থ উদ্ধার করতে পারেনি, দেখবে তুমি জীবন উজার করে তা উদ্ধার করে দেবার পর কিভাবে বেচশমের মতো চোখ পাল্টে ফেলেছে।তার মুখোশ খুলে বেরিয়ে আসছে বিশ্বাসঘাতক প্রতারক লোভি স্বার্থপর এক অন্য মানুষ।

রুচিতেও সস্তা নয়, অর্থ ও ক্ষমতাবানদের পায়ে মাথা ঠুকে দেয়া কোন সামান্য দাসদাসীই নয়, আপাদমস্তক যৌন বিকৃত সস্তা নীতিহীন নষ্ট সমাজের বাসিন্দা। যেখানে সেখানে যৌনবিকৃতদের মনোরন্জনেই সে স্মার্টনেস খুঁজে, জাতে ওঠার চেষ্টা করে, ড্রেন থেকে টাকা তোলার নেশায় যারতার সাথে প্রথম পরিচয়েই নষ্টামির চিত্র একে যায়।

কেউ আসলে বেশ্যার দালাল কেউ বেশ্যাদের চেয়েও নীতিহীনতা নিয়ে সবখানে সুড়সুড়ি দিয়ে যায়।দুর্নীবাজ দের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তথ্য দিলে,দুদক তলব করলে, এমন কি বঙ্গবন্ধুর খুনীর আত্নীয় নিয়ে কথা বললেও তাদের গা জ্বলবে, কারন এরা তার লোভের শিকার।আর দুর্নীতিবাজরা তাদেরই উত্তরাধিকার!

মধ্যবিত্তের মূল্যবোধকে সেই কবেই সে রক্ষিতা থেকে মুরগী মিলনের মতোন লোকদের সমাজের বাসিন্দা হয়েই জানিয়ে দিয়েছে, সে কে?

মানসিকভাবে দারিদ্রতা তাদের এতোটাই নীচু হবে, তোমার হৃদয়বান মায়া মমতায় ভরা মনের সূযোগে অবিরাম লুটে নেবে নানা কায়দায়।নিজের যতো টাকাই থাক, মূল্যবান পোষাক থাক, যেখানে বসবে চায়ের বিলটাও দেবেনা, মানুষের সৌজন্যতা ভদ্রতা আন্তরিকতাকে মক্ষেল মেনে নিয়ে বিল দেয়াবে, নিজে ভুলেও দিতে চাইবেনা। স্বার্থে কেউ টাকা খরচ করে মনোরন্জনের আয়োজন করবে, কেউবা মদের বোতলসহ মনোরন্জন দেবে।

তবে একদিন ঠিক এদের মুখোশ যখন খুলে পড়ে তখন কেবল কদর্য কুৎসিত ভয়ংকর চেহারা বেরিয়ে আসে, তখন যতোই উচ্চশিক্ষার কথা বলুক আসলে নস্ট সমাজের বিকৃতি থেকে পাওয়া নোংরা ভাষার দূর্গন্ধই বেরিয়ে আসবে মুখ থেকে । বস্তির কলতলার গালি মুছে দেয় এরা। কুকুরকে যেমন এক ডাকে যেখানে সেখানে নেয়া যায়, মক্ষেল শিকারে এরাও এক ক্ষুদে বার্তায় বা দাওয়াত চেয়ে নানা আসরে, আড্ডায় হাজির হয়।

সুপভাত বাংলাদেশ, লাভ মর্নিং আমার সকল স্বজনরা। জাতে ওঠে এরা!