অর্থ ও বাণিজ্য ১০ নভেম্বর, ২০১৯ ০১:৫৩

বুলবুলের প্রভাবে চড়া দামে বিক্রি অধিকাংশ সবজি

ডেস্ক রিপোর্ট।। 

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব পড়েছে রাজাধানীর কাঁচাবাজারে। ফলে একদিনের ব্যবধানে বেড়েছে কাঁচামরিচ, উস্তা, শশা, করলা, ফুলকপি, বরবটিসহ প্রায় সবধরনের সবজির দাম। বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টির কারণে সবজি কম আসায় দাম কিছুটা বাড়তি। তবে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে দাম আরও বাড়বে।

রোববার (১০ নভেম্বর) রাজধানীর মতিঝিল এজিবি কলোনি, ফকিরাপুল কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা বাজারে এক পোয়া কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা দরে। বিক্রেতারা জানান, শনিবার এক পোয়া মরিচ বিক্রি হয়েছে ১৫ টাকা দরে। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে ৬০ টাকার কাঁচামরিচ ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

পাশের দোকানদার ইহতিশাম জানান, শনিবার ২০০ টাকা দরে এক পাল্লা (৫ কেজি) মরিচ কিনেছি। আজ ২৫০ টাকা দরে এনেছি। অর্থাৎ কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। সুতরাং বিক্রি করতে হবে ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া শশা, ফুলকপি, বরবটির দামও বেড়েছে। তাই আজ সবজি কম এনেছেন তিনি।


মাছের বাজার
দুই বাজারে প্রতি কেজি শশা ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ দু’দিন আগেও শশা ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে প্রতিপিস ৪৫-৫০ টাকায়। অথচ দু’দিন আগেও একই কপি বিক্রি হয়েছে ১৫ টাকায়। লাউ ও জালি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে প্রতিপিস ৪০-৫০ টাকায়।

এছাড়া সিম ৭০-৮০ টাকা, উস্তা ৮০ টাকা, ঝিঙা ৫০-৫৫ টাকা, বেগুন ৬০ টাকা, করলা ৫৫-৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, পটল ৫০-৫৫ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা এবং ঢেঁড়স ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দাম বাড়লেও চাল, ডাল, মাছ, মাংস এবং ডিমের দাম স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। মাংসের মধ্যে গরুর মাংস ৫০০-৫৫০ টাকা, খাসির মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২৫-১৩০ টাকা কেজি দরে।


অন্যদিকে, দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১৩৫ টাকায় এবং বিদেশি পেঁয়াজ ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে।

মাছের মধ্যে মাঝারি মানের ইলিশ ৯০০-১২০০ টাকা, চিংড়ি ৫০০-৭৫০ টাকা, শিং ৪০০-৬০০ টাকা, কৈ মাছ ১৭০-৩০০ টাকা এবং তেলাপিয়া ১৩০-২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মতিঝিলের এজিবি কলোনির কাঁচামাল ব্যবসায়ী মিন্টু মিয়া বলেন, ‘কাঁচামালের দামের কোনও ঠিক নেই। এই বাড়ে, এই কমে। গতকালের তুলনায় প্রায় সব সবজির দাম বেড়েছে।’