সোশ্যাল মিডিয়া ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০২:০২

নারীর শরীরে উচু নিচু ঢেউ এবং শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ আবু সায়িদ!

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ

একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবেই তিনি তরূনদের কাছে সমধিক পরিচিত।

চল্লিশ বছর ধরে তিনি ‘আলোকিত মানুষ’ গড়ে তোলার স্বীকৃতি স্বরূপ ২০০৪ সালে রোমেন ম্যাগসেসে পুরষ্কার লাভ করেন। বাংলাদেশে অ-প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বিস্তারে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকারও তাকে ২০০৫ সালে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করেন।

কিন্তু এ ব্যাক্তিটি, যাকে একসময় মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে অভিহিত করা হতো। তিনিই এখন জন্ম দিচ্ছেন একের পর এক বিতর্কের। কিছুদিন আগেই প্রবাসী শ্রমিকদের নিয়ে বক্তব্য দিয়ে তিনি বাংলা সামাজিক মাধ্যম জগতে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হন। এঘটনায় প্রবাসীদের তোপের মুখে পড়েন তিনি। পরবর্তিতে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থন করে যদিও দাবি করেন যে, তার বক্তব্যের খন্ডিত অংশের অপব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ একটি জনপ্রিয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করনে শাড়ি সংক্রান্ত কলাম লিখে বাংলা সামাজিক মাধ্যমে জন্ম দিয়েছেন ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার। যেই লেখায় বাঙ্গালী মেয়েদের পোশাক হিসেবে শাড়িকে সবচেয়ে যৌনাবেদনময়ী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। শাড়ি পরার প্রতি বাঙ্গালী নারীদের আগ্রহ তৈরি করতে তিনি যেইসব অশালীন উপমা ব্যাবহার করেছেন তা শিক্ষিত, রুচিশীল নারীদের অনূভুতিকে আহত করেছে। লেখার শুরুতেই তিনি বাঙ্গালী নারীর উচ্চতা ও শারিরীক আকৃতি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন খুব বাজে ভাবে। এমনভাবে বিবরন গুলো তিনি লিখেছেন, মনে হয় যেন বাঙ্গালী নারীদের সর্বদা চেষ্টাই থাকে তার নিজেদের কুৎসিত চেহারা ও আকৃতিকে ঢেকে রাখার।

যিনি বেশ দীর্ঘসময় বাঙ্গালী তরুন সমাজকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করেছেন। এমন একজন মানুষের কাছে তরুন সমাজ নারী শরীরের আকৃতি, মানুষের চেহারা ও বিতর্কিত মন্তব্য আশা করে নি।