অর্থ ও বাণিজ্য ১১ ডিসেম্বর, ২০২০ ০৩:৩৬

আমনের ফলনে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রাকৃতিক আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার  মৌলভীবাজারে  আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আশাতীত ফলনে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। এবার জেলায় আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক লাখ ২০০ হেক্টর জমিতে। আবাদ হয়েছে এক লাখ ১ হাজার ৪৮০ হেক্টর জমিতে। ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৮০২ টন।

কৃষক আজাদ মিয়া বলেন, এবার ৮ একর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করেছি। ফলনও ভালো হয়েছে। বাজারে ন্যায্যমূল্য পেলে ধানের ভর্তুকি দিতে হবে না।

কৃষক ইসমাইল মিয়া বলেন, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর আমন ধানের ফলন ভালো হয়েছে। আশা করি সঠিক বাজারমূল্য পাব। তবে শ্রমিক সংকট থাকায় ধান কাটতে বিলম্ব হচ্ছে।

কৃষক কাদির মিয়া বলেন, এ বছর তিন বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছি। জমির ধান ভালো হয়েছে। সোনালি ধান পেয়ে আমি খুশি। পোকা-মাকড়ের আক্রমণ ও রোগবালাই কম হওয়ায় অন্য বছরের তুলনায় এ বছর ফলন ভালো হয়েছে বলে জানান তিনি।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাউয়াদিঘি হাওর পাড়ের বড়কাপন গ্রামের ইটা সমাজকল্যাণ সংস্থার সাধারণ সম্পাদক রাজন আহমদ বলেন, একসময় কাউয়াদিঘি হাওরের যেসব জমিতে আমন ধান চাষ করা যায়নি, এ বছর সেসব জমিতে ভালো ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে।

শ্রমিক সুন্দর মিয়া বলেন, আমার মালিকের জমিনে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ভালো ধান হয়েছে। আমরা চারজন মিলে ধান কাটতেছি। আমাদের মজুরি ৫৫০ টাকা করে।

মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী লুৎফুল বারী বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও সময়মতো রোদ বৃষ্টি হওয়ায় জেলায় এবার আমনের ভালো ফলন হয়েছে। শ্রমিক সংকটের কারণে ধান কাটতে সময় লাগছে। আমরাও ধান কাটার মেশিন দিয়ে সহযোগিতা করছি।